বিএনপির দলীয় গঠনতন্ত্র থেকে ৭ ধারা বাদ দেয়া শুধুমাত্র সংবিধান ও গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের সঙ্গে সাংঘর্ষিকই নয়- এটি সম্পূর্ণ নৈতিকতাবিরোধী বলছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, বিএনপি কৌশলগত কারণেই এমনটি করেছে এবং তড়িঘড়ি করেই এ সংশোধন এনেছে যা নিয়ম বহির্ভূতও।
দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণার এক সপ্তাহ আগে দলীয় গঠনতন্ত্রের ৭ ধারা বিলুপ্ত করে সংশোধিত গঠনতন্ত্র নির্বাচন কমিশনে জমা দেয় বিএনপি।
এ ৭ ধারায় বলা ছিল, দুর্নীতি পরায়ণ ব্যক্তি বিএনপির কোনো পর্যায়ের কমিটির সদস্য কিংবা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য বিবেচিত হবেন।
এ থেকে দলীয় প্রধানকে বাঁচাতেই বিএনপি কৌশলে গঠনতন্ত্র সংশোধন করেছে বলে মত বিশ্লেষকদের। তাদের মতে, এ সংশোধনী দুর্নীতি নিয়ে দলটির অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, কোনো দলের গঠনতন্ত্র সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলো কিনা তা দেখার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। এবিষয়ে সিদ্ধান্ত এখন তাদেরই হাতে-বলছেন বিশেলসকরা।
তবে বিএনপির দাবি, ২০১৬ সালে ১৯ মার্চ দলের কাউন্সিলেই গঠনতন্ত্রে এসব সংশোধনী প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
অথচ ইসিতে এই গঠনতন্ত্র জমা দেওয়ার সময় সাত ধারা বহালই ছিলো।