রাজনীতি

নেতার দিকনির্দেশনার জন্য লন্ডনে এসেছি: ফখরুল

 নেতার দিকনির্দশনার জন্য লন্ডনে এসেছি: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
নেতার দিকনির্দশনার জন্য লন্ডনে এসেছি: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

শুধু একটি মাত্র কারণে আমি লন্ডনে এসেছি— নেতার সঙ্গে কথা বলার জন্য আর তার দিকনির্দেশনার এসেছি জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকাল যুক্তরাজ্যের পূর্ব লন্ডনের রয়্যাল রিজেন্সি হলে বিএনপি আয়োজিত এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলে এ কথা বলেন তিনি। যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের নির্দেশনার জন্যই লন্ডনে এসেছেন বলেও জানান বিএনপির মহাসচিব। এ সময় অনুষ্ঠানের মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান। ফখরুল তার বক্তব্যের শুরুতেই বলেন, কারাগারে বন্দী বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ। তিনি পড়ে গিয়েছিলেন, হোঁচট খেয়ে পড়ে যাননি। অসুস্থতার কারণে পড়ে গিয়েছিলেন।’ তাকে পুরোনো নির্জন কারাগারের স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে আটকে রেখে, চিকিৎসা না দিয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। বাংলাদেশে প্রতিটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, খালেদার মামলাটি এমন কোনো মামলা নয় যে তাকে জামিন দেয়া যাবে না। অথচ সম্পূর্ণ গায়ের জোরে তাকে আটকে রাখা হয়েছে। ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়ার প্রতি চরম অন্যায় করা হচ্ছে তাকে সম্পূর্ণ বানোয়াট একটি মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সেই মামলা মোকাবিলা করতে গিয়েও তিনি ন্যায়বিচার পাননি জানান ফখরুল। সরকারের বিরুদ্ধে দমন-পীড়নের অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর ৭৮ হাজার মামলা। ১৮ লাখ লোককে আসামি করা হয়েছে। সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস আলীসহ পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মীকে গুম করা হয়েছে। ১০ হাজারের বেশি নেতা-কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। মির্জা ফখরুল বলেন, গণমাধ্যমগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না। কোন খবর যাবে না যাবে, টক শোতে কারা কথা বলবে, সেসবও ঠিক করে দিচ্ছে সরকার। তিনি বলেন, সংবিধানের একটি রায়কে কেন্দ্র করে দেশের প্রধান বিচারপতিকে (সুরেন্দ্র কুমার সিনহা) বন্দুকের নলের মুখে দেশ থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। আমরা কার কাছে বিচার চাইতে যাবো? খালেদা জিয়ার প্রতি সরকারের অমানবিক আচরণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার খালেদা জিয়াকে দেশে আটকে রেখেছে একটা কারণে। আর তা হলো তারা ‘দেশনেত্রীকে’ প্রধান প্রতিপক্ষ মনে করে। তারা চাইছে নেত্রীকে কারাগারে আটকে রেখেই কিভাবে জীবনাবসান ঘটানো যায়। বাধা-বিপত্তি আসবে, সংগ্রাম করে যেতে হবে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিএনপির দুর্দিনে আমাদের একজন নেতাকর্মীকেও নিজেদের দলে টেনে নিতে পারেনি সরকার। আমরা খুব আশাবাদী, দেশে জাতীয় ঐক্য তৈরি হবে। আমাদেরও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমরা সেই দিনের অপেক্ষায় আছি যেদিন খালেদা জিয়া কারামুক্ত হবেন এবং তারেক রহমান বীরের বেশে দেশে ফিরবেন। দেশে মানুষ আতঙ্কে কথা বলতে পারছে না অভিযোগ তুলে তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আন্দোলনের মধ্য দিয়ে, নানা ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করে আপনি নেতার আসনে আসীন হয়েছেন। আপনার চলার পথ মোটেই কসুমাস্তীর্ণ ছিলো না। বাংলাদেশের মানুষ এক শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থায় আছে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, ধৈর্য, সাহস ও দৃঢ়তার সঙ্গে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। আওয়ামী লীগ সরকারের অপশাসনের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য গঠনের কাজ এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি। ফখরুল বলেন, ‘বহু চেষ্টার পরও আজ পর্যন্ত বিএনপিতে ভাঙন ধরাতে পারেনি তারা। দলের একজন নেতা-কর্মীকেও নিতে পারেনি।’ দলের ঐক্য অটুট আছে জানিয়ে ফখরুল বলেন, হতাশার কোনো কারণ নেই। রাত্রির পরেই হবে নতুন সূর্যোদয়। অনুষ্ঠিত ওই ইফতার ও দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিচ্ছিলেন মির্জা ফখরুল। এতে সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালেক। সাধারণ সম্পাদক কয়সর আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আয়োজনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও বক্তব্য দেন। ।

গতকাল যুক্তরাজ্যের পূর্ব লন্ডনের রয়্যাল রিজেন্সি হলে বিএনপি আয়োজিত এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলে এ কথা বলেন তিনি।

যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের নির্দেশনার জন্যই লন্ডনে এসেছেন বলেও জানান বিএনপির মহাসচিব।

এ সময় অনুষ্ঠানের মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান।

ফখরুল তার বক্তব্যের শুরুতেই বলেন, কারাগারে বন্দী বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ। তিনি পড়ে গিয়েছিলেন, হোঁচট খেয়ে পড়ে যাননি। অসুস্থতার কারণে পড়ে গিয়েছিলেন।’

তাকে পুরোনো নির্জন কারাগারের স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে আটকে রেখে, চিকিৎসা না দিয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

বাংলাদেশে প্রতিটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, খালেদার মামলাটি এমন কোনো মামলা নয় যে তাকে জামিন দেয়া যাবে না। অথচ সম্পূর্ণ গায়ের জোরে তাকে আটকে রাখা হয়েছে।

ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়ার প্রতি চরম অন্যায় করা হচ্ছে তাকে সম্পূর্ণ বানোয়াট একটি মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সেই মামলা মোকাবিলা করতে গিয়েও তিনি ন্যায়বিচার পাননি জানান ফখরুল।

সরকারের বিরুদ্ধে দমন-পীড়নের অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর ৭৮ হাজার মামলা। ১৮ লাখ লোককে আসামি করা হয়েছে। সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস আলীসহ পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মীকে গুম করা হয়েছে। ১০ হাজারের বেশি নেতা-কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, গণমাধ্যমগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না। কোন খবর যাবে না যাবে, টক শোতে কারা কথা বলবে, সেসবও ঠিক করে দিচ্ছে সরকার।

তিনি বলেন, সংবিধানের একটি রায়কে কেন্দ্র করে দেশের প্রধান বিচারপতিকে (সুরেন্দ্র কুমার সিনহা) বন্দুকের নলের মুখে দেশ থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। আমরা কার কাছে বিচার চাইতে যাবো?

খালেদা জিয়ার প্রতি সরকারের অমানবিক আচরণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার খালেদা জিয়াকে দেশে আটকে রেখেছে একটা কারণে। আর তা হলো তারা ‘দেশনেত্রীকে’ প্রধান প্রতিপক্ষ মনে করে। তারা চাইছে নেত্রীকে কারাগারে আটকে রেখেই কিভাবে জীবনাবসান ঘটানো যায়।

বাধা-বিপত্তি আসবে, সংগ্রাম করে যেতে হবে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিএনপির দুর্দিনে আমাদের একজন নেতাকর্মীকেও নিজেদের দলে টেনে নিতে পারেনি সরকার। আমরা খুব আশাবাদী, দেশে জাতীয় ঐক্য তৈরি হবে। আমাদেরও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমরা সেই দিনের অপেক্ষায় আছি যেদিন খালেদা জিয়া কারামুক্ত হবেন এবং তারেক রহমান বীরের বেশে দেশে ফিরবেন।

দেশে মানুষ আতঙ্কে কথা বলতে পারছে না অভিযোগ তুলে তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আন্দোলনের মধ্য দিয়ে, নানা ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করে আপনি নেতার আসনে আসীন হয়েছেন। আপনার চলার পথ মোটেই কসুমাস্তীর্ণ ছিলো না।

বাংলাদেশের মানুষ এক শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থায় আছে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, ধৈর্য, সাহস ও দৃঢ়তার সঙ্গে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।

আওয়ামী লীগ সরকারের অপশাসনের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য গঠনের কাজ এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

ফখরুল বলেন, ‘বহু চেষ্টার পরও আজ পর্যন্ত বিএনপিতে ভাঙন ধরাতে পারেনি তারা। দলের একজন নেতা-কর্মীকেও নিতে পারেনি।’ দলের ঐক্য অটুট আছে জানিয়ে ফখরুল বলেন, হতাশার কোনো কারণ নেই। রাত্রির পরেই হবে নতুন সূর্যোদয়।

অনুষ্ঠিত ওই ইফতার ও দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিচ্ছিলেন মির্জা ফখরুল। এতে সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালেক। সাধারণ সম্পাদক কয়সর আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আয়োজনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও বক্তব্য দেন।

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

রওশন এরশাদের সঙ্গে রাঙ্গা

বিদ্যুৎ বিপর্যয় নিয়ে বিরোধী দলের নেতারা যা বলছেন

এবার আরেক উপদেষ্টাকে অব্যাহতি দিলেন জিএম কাদের

জোর-জবরদস্তির নির্বাচন হবে, এমন মেসেজ পাচ্ছি: জিএম কাদের

আমরণ অনশনের ঘোষণা ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতদের

আলোচিত মহিউদ্দিন মহারাজের মনোনয়ন প্রত্যাহার

প্রধানমন্ত্রী সকল যড়যন্ত্র মোকাবিলা করে বীরদর্পে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে: মির্জা আজম

যা যা চাওয়া হয়েছে ভারত সব দিয়েছে: সেতুমন্ত্রী

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ