প্রতিষ্ঠার সাত দশকের মাথায় দলের নিজস্ব স্থায়ী কার্যালয় পেতে চলেছে দেশের পুরনো রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগ। ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে পুরনো কার্যালয়ের স্থানেই নির্মিত হয়েছে অত্যাধুনিক ১০তলা ভবন।
২৩ জুন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলের এ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের উদ্বোধন করবেন সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নতুন এ কার্যালয় নিয়ে উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে নেতাকর্মীদের মাঝে।
দলীয় সভানেত্রী, সাধারণ সম্পাদকের অফিস ছাড়াও এ ভবনে থাকবে সহযোগি সংগঠনের অফিসও। ভবনটিতে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবার পাশাপাশি থাকবে ডিজিটাল লাইব্রেরি ও গবেষণা কেন্দ্র।
টিকাটুলীর রোজ গার্ডেন থেকে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ- ১৯৪৯ থেকে ২০১৮। মাঝে কখনো ৯ কানকুন বাড়ি লেন, কখনো ৫৬ সিমসন রোড, ৯১ নবাবপুর রোড, সদরঘাটের রূপমহল সিনেমা হলের গলি, কখনো বা পুরানা পল্টনে ছিল আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়।
অবশেষে দলীয় কার্যালয়ের নিজস্ব ভবন পেতে যাচ্ছে দেশের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগ।
৮ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় এ ভবনটির প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় থাকছে হলরুম। তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় থাকবে সহযোগি সংগঠনের অফিস। চতুর্থ তলা থেকে প্রতি ফ্লোরে আছে ২টি করে ভিআইপি রুম ও একটি করে সভাকক্ষ। পঞ্চম তলায় কনফারেন্স রুম। ষষ্ঠ তলায় থাকবে কোষাধ্যক্ষের অফিস।
দলীয় সভানেত্রীর অফিস হবে অষ্টম তলায়। অফিস লাগোয়া থাকবে তার বিশ্রাম কক্ষও। আর সাধারণ সম্পাদক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকদের অফিস হবে সপ্তম তলায়। নবম তলায় গবেষণা কেন্দ্রের পাশাপাশি থাকবে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের বসার জায়গা। ছাদে থাকবে হেলিপ্যাড।
দলের নুতন কার্যালয় নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা নিয়ে আসবে বলে মনে করছেন নেতারা।
ভবনটির প্রতি ফ্লোরের আয়তন চার হাজার বর্গফুট। প্রায় দেড় বছরে ভবনটির নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৫ কোটি টাকা। আওয়ামী লীগের ফান্ড ও সদস্যদের চাঁদার টাকাতেই তৈরি হয়েছে দলের স্থায়ী কার্যালয়।