আওয়ামী লীগের নব নির্মিত কার্যালয়ের উদ্বোধন করেছেন দলটির সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শনিবার সকাল ১০টায় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে নতুন ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
এসময় শেখ হাসিনার হাতে নতুন কার্যালয়ের চাবি তুলে দেন গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন।
এর মধ্য দিয়ে দলের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষীকিতে নিজস্ব ভবন পেল আওয়ামী লীগ। এর আগে দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষীকি উপলক্ষে ধানমন্ডি বত্রিশ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শেখ হাসিনা।
বাইরের পুরো অংশই কাঁচে ঘেরা। সামনের দেয়াল জুড়ে " জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু" স্লোগান। একপাশে দলীয় প্রতীক নৌকা। তার ওপরে বড় বড় অক্ষরে লেখা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। প্রায় সাত দশকের পুরনো রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের স্থায়ী ঠিকানা এটি। পুরান ঢাকার গোপীবাগ এলাকার রোজ গার্ডেনে আওয়ামী লীগের যাত্রা শুরু হলেও প্রায় সাত দশক ধরে রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতেই কার্যক্রম চলছিল। স্মৃতি বিজড়িত আর নানা ঘটনার সাক্ষী পুরনো অফিসের স্থানেই নতুন করে নির্মিত হল আওয়ামী লীগের স্থায়ী কার্যালয়। যার উদ্বোধন করেন দলের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শনিবার সকাল ১০টায় দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে সঙ্গে দলীয় পতাকা ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে নতুন ভবনের উদ্বোধন করা হয়। উড়ানো হয় শান্তির প্রতীক পায়রা।
এরপর স্মৃতিস্বরুপ বৃক্ষরোপন করে নতুন কার্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
পুরো ভবনটিতেই মুক্তিযুদ্ধের নানা প্রেক্ষাপটের ছোঁয়া। চতুর্থ তলায় উঠলেও চোখে পড়বে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসর্মপনের ছবি। পঞ্চম তলায় মুক্তিযুদ্ধের নানা স্মৃতি। আর ষষ্ঠ তলায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক সাত মার্চের ভাষণের টেরাকোটা। এসব ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী।
দশতলা ভবনের নবম তলায় দলের সভানেত্রীর কক্ষ। সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও অংগসংগঠনেরও কক্ষ রয়েছে। এছাড়া অন্যান্য তলায় রয়েছে ডিজিটাল লাইব্রেরি, ভিআইপি লাউঞ্জ, সাংবাদিকদের বসার জায়গা, ক্যাফেটেরিয়া।
এর আগে দলের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।