দেশে ন্যূনতম গণতান্ত্রিক চর্চা না থাকায় অনুমতির পরও কর্মসূচিতে বাধা দিচ্ছে সরকার— বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন সেমিনার হলে জিয়া পরিষদের আলোচনাসভা করতে না দেয়ার প্রতিবাদে ইনস্টিটিউশনের সামনে তিনি এ কথা বলেন।
সরকার দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করে দিয়েছে— উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে কথা বলা ও সভা-সমাবেশ করার কোনো গণতান্ত্রিক অধিকার নেই— তারই প্রমাণ অনুমতির পরও কর্মসূচিতে করতে না দেয়া। এ সরকার ক্ষমতাগ্রহণের পর থেকে দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ধ্বংস করে দিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকার কথা বলার ন্যূনতম অধিকারটিও কেড়ে নিয়েছে। প্রশাসন জিয়া পরিষদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালন করতে দিচ্ছে না।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, এ স্বৈরাচারী সরকার জনগণের বুকের ওপর পাথরের মতো চেপে বসেছে। বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের শুধু গ্রেপ্তর-নির্যাতন করেই ক্ষান্ত হয়নি বরং সভা-সমাবেশের রাজনৈতিক অধিকারও কেড়ে নিয়েছে।
এদিকে, জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যরিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, আসন্ন তিন সিটি নির্বাচনের ওপরই নির্ভর করবে আগামী জাতীয় নির্বাচন আদৌ সুষ্ঠু হবে কি-না?
বিএনপিকে ছাড়া এ দেশে কোনো অংশগ্রহণ মূলক নির্বাচন হবে না— জানিয়ে তিনি বলেন, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আওয়ামী লীগকে নির্বাচন অনুষ্ঠানে বাধ্য করা হবে।
বিএনপি গণতন্ত্রপন্থী দল বলেই স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে বলেও জানান ব্যরিস্টার মওদুদ আহমদ।