বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবারো ঈদটা কারাগারেই কাটাতে হচ্ছে।
বেশ কয়েকটি মামলায় জামিনের পরও মুক্তি হতে পারেননি তিনি। এজন্য কোরবানি ঈদটিও কারাগারেই থাকতে হচ্ছে বিএনপি নেত্রীকে।
নেত্রী কারাগারে— এভাবে নেতাকর্মীদের মনে ঈদ আনন্দ নেই, থাকতে পারে না। এজন্য ঈদের দিন কূটনৈতিক বা বিশিষ্টজনদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়সহ কোনো কর্মসূচিই পালন করছেন দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা।
গত ৮ ফেব্রুয়ারিতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৫ বছরের কারাদণ্ড হওয়ার পর থেকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পরিত্যক্ত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে দিন কাটছে তার।
জিয়া অরফানেজসহ কয়েকটি মামলায় জামিন পেয়েছেন খালেদা জিয়া। তবে অন্যান্য মামলার কারণে তার মুক্তি মিলেনি। ফলে রমজানের ঈদের মতো কারাগারে নিঃসঙ্গ অবস্থায় কোরবানি ঈদও কাটাতে হচ্ছে তাকে।
দলীয় সূত্র বলছে, খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে ঈদের দিন কূটনৈতিক বা বিশিষ্টজনদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়সহ অন্যান্য কর্মসূচি পালন করা হবে না।
ঈদের দিন কারাগারে খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যরা দেখা করতে যাওয়ার কথা রয়েছে।
বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয় সূত্র জানায়, দলটির সিনিয়র নেতারা ঈদের দিন চেয়ারপারসনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পাওয়ার ওপর নির্ভর করছে বিষয়টি। গত ঈদেও অনুমতি না পাওয়ায় তারা দেখা করতে পারেননি।
অন্য কর্মসূচি না থাকলেও ঈদের দিন নামাজ শেষে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করবেন বিএনপির নেতারা।
এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো কারাগারে ঈদ করতে হচ্ছে খালেদা জিয়াকে। এর আগে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর মইনুল রোডের বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এরপর রাখা হয় সংসদ ভবন এলাকায় স্থাপিত সাব-জেলে। সেবার জেলেই কাটেছিল তার দুই ঈদ। এরপর ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তাকে মুক্তি দেয়া হয়।