আগামী নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং বা ইভিএম পদ্ধতি চালুর পায়তারা দুরভিসন্ধিমূলক বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলগীর। বৃহস্পতিবার বিএনপির চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ইভিএম পদ্ধতি চালু নিয়ে সৃষ্ট যে কোন পরিস্থিতির জন্য নির্বাচন কমিশনকেই দায়ভার নিতে হবে। বিশ্বের নব্বই শতাংশ দেশে এই ইভিএম পদ্ধতি চালু নেই উল্লেখ করে জনগণই এই পদ্ধতি প্রতিহত করবে।
৪৪ হাজার ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করাসহ নির্বাচন কমিশনকে ১১টি পরামর্শ দেন বিএনপির এ মহাসচিব।
নির্বাচন কমিশনের প্রায় চার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ১ লাখ ৫০ হাজার ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম সংগ্রহের উদ্যোগের সমালোচনা করে তিনি আরো বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্যই ইভিএম পদ্ধতি চালুর পায়তারা করা হচ্ছে। জনগণের আস্থা হারিয়ে সরকার যন্ত্রের ওপর নির্ভর করার অপকৌশল চালাচ্ছে।
গোপনে তাড়াহুড়ো করে কেন ইভিএম সংগ্রহ করা হচ্ছে এমন প্রশ্ন তুলে বিশ্বের ৯০ শতাংশ দেশে এই পদ্ধতি চালু নেই বলেও নানা উদাহরণ তুলে ধরেন মির্জা ফখরুল।
এ পদ্ধতি চালু নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য নির্বাচন কমিশনকে দায়ভার নিতে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনকে বেশকিছু পরামর্শও দেন বিএনপি মহাসচিব।
এ সময় ইভিএমের নানা অপকারিতা জানানোর জন্য স্কাইপির মাধ্যমে আমেরিকার ইউনিভারসিটি অব ক্যালির্ফোনিয়ার এক আইটি বিশেষজ্ঞের মতামতও তুলে ধরা হয় সংবাদ সম্মেলনে।