একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শুধু বিএনপির প্রার্থীরা নন— জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরাও ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মতিঝিলে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের মতিঝিলের চেম্বারে বৈঠক শেষে এ কথা জানান জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না।
তিনি বলেন, একজোট হয়ে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, আজকে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে আমরা যতগুলো দল মিলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট করেছি, আমরা সকলে একটি কমন প্রতীকে নির্বাচন করব। সেই কমন প্রতীক হবে ধানের শীষ।
গত ১৩ অক্টোবর বিএনপিসহ কয়েকটি নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত দল নিয়ে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে সাত দফা দাবিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়।
সংসদ ভেঙে, খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি ছিল তাদের ওই সাত দফার মধ্যে।
এসব দাবি নিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দুই দফা সংলাপে বসেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।
আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় একাদশ সংসদ নির্বাচন পোছানোর জন্য বুধবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গেও বৈঠক করে ঐক্যফ্রন্ট। ওই বৈঠক শেষে ঐক্যফ্রন্টের মূল নেতা কামাল হোসেন আশ্বস্ত হওয়ার কথা বললেও ইসির নিরপেক্ষতা নিয়ে জোটের সবচেয়ে বড় দল বিএনপির সংশয় কাটেনি।
পুনঃতফসিল অনুযায়ী, ৩০ ডিসেম্বর ভোট দিন রেখে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত মনোনয়ন দাখিল করা যাবে। ২ ডিসেম্বর বাছাই, প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত আর ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ। এরপর আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করতে পারবেন প্রার্থীরা।
গত ৮ নভেম্বর প্রথম দফা তফসিল ঘোষণার দিন জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা বলেন, এবার সেনা মোতায়েন হবে আগের মতোই অর্থাৎ সেনাবাহিনীর বিচারিক ক্ষমতা থাকবে না।
তিনি বলেন, নির্বাচন চলাকালে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বেসামরিক প্রশাসনকে যথা-প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার বিধানের অধীনে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন থাকবে।