আগামী দু'এক দিনের মধ্যেই বিএনপিও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এবং ২০ দলের মধ্যে আসন বণ্টনের বিষয়টি চূড়ান্ত হচ্ছে। এতে ফ্রন্টের অন্যতম শরিক গণফোরাম বিএনপির কাছে ৬০টি আসন চাইবে।
সব মিলিয়ে বিএনপির কাছে ঐক্যফ্রন্টের চাহিদা থাকছে ১০০টি আসনের। আর ২০ দলের আশা বিএনপি তাদেরকে কমপক্ষে ৫০টি আসন ছাড় দেবে।
তবে যোগ্যতার ভিত্তিতেই প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে জানিয়ে, সেক্ষেত্রে শরিকদের চাহিদায় হের-ফের হতে পারে বলে জানিয়েছে বিএনপি।
তিনশ আসনের জন্য প্রার্থীতা চূড়ান্ত করতে এরইমধ্যে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শেষ করেছে বিএনপি। নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন আগামী ২৮ নভেম্বর বুধবার।
আসন বণ্টন নিয়ে মূলত বিএনপির সঙ্গেই জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলের দরকষাকষি চলছে। প্রশ্ন উঠছে বিএনপির কাছে আসলে কোনো দল কত আসন চাইছে।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শরীক গণফোরাম জানিয়েছে-প্রাথমিকভাবে তারা বিএনপির কাছে ৬০টি আসন চাইবে। তবে একটু এদিক সেদিক হলেও তাদের অসুবিধা নেই বলে জোটের এই নেতা জানান।
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি, নাগরিক ঐক্যসহ সব মিলিয়ে বিএনপির কাছে ঐক্যফ্রন্টের চাহিদা থাকবে প্রায় ১০০টি আসনের, এমন তথ্যও জানা গেছে। এ নিয়ে বিএনপির সঙ্গে কোনো সমস্যা হবে না বলেই আশা তার।
২০ দলের প্রধান সমন্বয়ক এলডিপি সভাপতিও অলি আহমেদ জানান, সব কিছুই মোটামুটি ঠিক। তবে যোগ্যতার বিষয়টিকে যদি বিএনপি এড়িয়ে না যায় তাহলে কোন সমস্যাই হবে না।
যোগ্যতা ও নির্বাচনকে আন্দোলনের অংশ হিসেবে নেওয়ার বিষয়গুলো বিএনপি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবে বলেও আশা তার।
আর ঐক্যফ্রন্টসহ বিশদলের যৌক্তিক চাহিদা যথাযথভাবে পূরণের আশ্বাস দিয়েছেন বিএনপি নেতারা।
তারা বলেন- আসন ভাগাভাগি নয়, নির্বাচনে জেতাই মূল লক্ষ্য।
আসন বণ্টনের বিষয়টি চূড়ান্ত হলে দু'একদিনের মধ্যে বিএনপি, ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলের প্রার্থী তালিকা জানানো হবে বলেও জানান নেতারা।