একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের লড়াইয়ে নামতে চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে প্রথম নির্বাচনে যাচ্ছে বিএনপি— এ পর্যন্ত কথা বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
খালেদা জিয়া তিনটি আসনে দলের প্রার্থী হচ্ছেন বলে বিএনপি থেকে জানানো হয়েছে। এগুলো হলো ফেনী-১, বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭।
সোমবার রাজধানীর গুলশান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন কথা বলতে গিয়ে বেশ কিছু সময় চুপ করে থাকেন। এসয়
সংবাদস্থলে থাকা দলটির অন্য নেতারাও আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন।
বিকেল থেকে বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত নেতাদের হাতে প্রত্যায়নের চিঠি হস্তান্তর শুরু করেছে বিএনপি। প্রথম চিঠিটি পান বিএনপি কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মুজিবর রহমান সরোয়ার।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্তদের চিঠি বিতরণের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দে মির্জা ফখরুল।
সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিএনপি এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে তবে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার কোনো আলামত দেখা যাচ্ছে না বলেও জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি দলীয় চেয়ারপারসনকে কারাগারে রেখে তাকে ছাড়া এই প্রথম নির্বাচনে অংশ নিতে হচ্ছে তাদের।
প্রসঙ্গত, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের নিহত হওয়ার পর ১৯৮২ সালে রাজনীতিতে আসেন খালেদা জিয়া। ১৯৮৬ সালে তার নেতৃত্বে বিএনপি প্রথম জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেন। এরপর ১৯৯১ ও ২০০১ সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় আসে। আর খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হন।
কিন্তু ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির একটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাবন্দী হন খালেদা জিয়া। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। এ নির্বাচনে তার অংশগ্রহণ অনেকটাই অনিশ্চিত।