নিজেদের মতো করেই দ্বিতীয় দিনে-মঙ্গলবারও প্রার্থীদের প্রাথমিক মনোনয়নেরপত্রের চিঠি দিয়েছে বিএনপি।
দিনভর রাজধানীর গুলশান কার্যালয়ে প্রার্থীরা মনোনয়নেরপত্রের চিঠি সংগ্রহ করেন।
বেশির ভাগ আসনেই প্রার্থী রাখা হয়েছে দুই জন করে। আবার কোনো কোনোটিতে দুইজনেরও বেশি তাতে করে বিএনপির তিনশ আসনে প্রার্থী দাঁড়িয়েছে ৮০০’র উপরে।
দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ইঙ্গিত দিয়েছেন, বিশদল ও ঐক্যফ্রন্টসহ সকলের জন্য ৬০টির বেশি আসন ছাড় দিবে না।
একইসঙ্গে দু'-চার দিনের মধ্যেই আসন নিয়ে শরিকদের সঙ্গে একটা সমঝোতায় আসা যাবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
কোনোরকম আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই নিজেদের মত করে বিশেষ কৌশলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের প্রাথমিক মনোনয়ের চিঠি দেওয়া শুরু করে বিএনপি।
দ্বিতীয় দিনের মত মঙ্গলবার সকাল থেকেই গুলশান কার্যালয়ে প্রার্থীরা প্রাথমিক মনোনয়নের চিঠি সংগ্রহের জন্য ভিড় করেন নেতাকর্মীরা। বেশির ভাগ আসনেই দুইজন এবং কোন কোন আসনে দুইজনের বেশি প্রার্থীর হাতে তুলে দেওয়া হয় এ চিঠি।
বিভিন্ন মামলায় কারাগারে থাকা প্রার্থীদের পক্ষে তাদের স্বজনরা এ চিঠি সংগ্রহ করেন। উচ্ছ্বসিত নেতা-কর্মী সমর্থকরা। বিজয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।
অন্যদিকে, বিশদলসহ ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আসন নিয়ে এখনো কোন ফয়সালা হয়নি। বিশদলের জন্য রাখা হয়েছে-১৫টি আসন। গণফোরাম, জেএসডি ও নাগরিক ঐক্য অর্থাৎ ঐক্যফ্রন্টের বড় অংকের আসনের চাহিদা থাকলেও তা কমে এসেছে ২০ থেকে ২৫টির মধ্যে। যেখানে ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শরীক মাহমুদুর রহমান মান্নার নাগরিক ঐক্যই ভাগিয়ে নিয়েছে ৯টি আসন। বিএনপি বলছে- জামাতসহবিশদল ও ঐক্যফ্রন্টকে ৬০টির বেশি আসন ছাড় দেওয়ার পরিকল্পনা নেই তাদের। আসন বণ্টনের সব শেষ হিসাবে বিএনপির ঘরে থাকছে ২৪০টির কম আসন।
জোটের সঙ্গে আসন বন্টনের বিষয় নিয়ে কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি জানান-দুই-চার দিনের মধ্যেই আসনের বিষয়টি সমাধান হবে।