গণহারে শুধু বিএনপির প্রার্থীই নয়— মনোনয়ন বাতিল হয়েছে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদেরও।
দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে যারা মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন তাদের বেশিরভাগেরই মনোনয়ন টেকেনি।
আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, প্রত্যাহারের আগ পর্যন্ত তারা বিদ্রোহীদের বসানোর চেষ্টা করবেন।
এদিকে, শেষ মুহূর্তের সমীকরণে সমঝোতার আসনও জাতীয় পার্টিকে না দিতে কৌশলি ভূমিকায় নেমেছে আওয়ামী লীগ।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪০টি আসনে আওয়ামী লীগের ৭৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন— যাদেরকে বিদ্রোহী হিসেবে দেখছে দল।
গতকাল-রোববার মনোনয়ন যাচাই বাছাইয়ের শেষ দিনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে দাঁড়ানো আওয়ামী লীগের ৩৫ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। বাকি ৩৮ জনকেও বসানোর কাজ চলছে।
সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানান, প্রত্যাহারের আগ পর্যন্ত তারা এ চেষ্টা চালাবেন না হলে আজীবনের জন্য বহিস্কার করা হবে তাদের।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জাতীয় পার্টির সঙ্গে সমঝোতায় আসা ৪৫ আসনের মধ্যে ২৯টিতে আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন দেয়নি। তবে এর মধ্যে ৯টি আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিতরা স্বতন্ত্র হিসেবে এখনো মাঠে রয়েছেন। বাকী ১৬ আসনে আওয়ামী লীগ একক প্রার্থী ঘোষণা করেছে। কোনো কোনো আসন উন্মুক্ত রাখা হবে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।
এতদিন আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসন বণ্টনের বিষয়টি দেখভাল করছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমীন হাওলাদার। কিন্তু তাকে মহাসচিবের পদ থেকে অব্যাহতি দেয়ায় জাতীয় পার্টির আসন বাড়বে না কমবে সেদিকেই তাকিয়ে দলটির নেতারা।