দেশের মানুষ ধানের শীষে ভোট দিতে প্রস্তুত বলে দাবি বিএনপির।
দলটির নেতারা বলেন-বিএনপিসহ ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহার ও নেতাদের বক্তব্য দেশের মানুষ গ্রহণ করেছে।
মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন সে ব্যাপারে বিএনপি সর্বোচ্চ সাংগঠনিক তৎপরতা চালাবে। আর কোন অবস্থাতেই বিএনপি আর ঐক্যফ্রন্ট ভোটের মাঠ ছাড়বে না বলেও তারা জানিয়ে দিয়েছেন।
নেতারা বলেন- এবার তাদের ভোটে যাওয়ার লক্ষ্য-গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেয়া।
একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলমান রাখা, পুলিশ ও সামরিক বাহিনী ছাড়া সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স সীমা না রাখার মতো ১৪টি মূল প্রতিশ্রুতিসহ ৩৫ দফার ইশতেহার ঘোষণা করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয় ছাড়া, ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারের সঙ্গে অনেকাটাই মিল রেখে নির্বাচনে জিতলে ক্ষমতায় ভারসাম্য ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাসহ ১৯ দফার নির্বাচনী ইশতেহার দিয়েছে বিএনপি।
নির্বাচনী পরিবেশ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে নানা অভিযোগসহ প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলে আসছে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট।
বিএনপির দাবি, দেশের মানুষ ধানের শীষে ভোট দিতে মুখিয়ে আছে।
দলের নেতারা বলেন- বিএনপিসহ ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহার ও সকল প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করেছে দেশের মানুষ।
বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখার নানা ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে উল্লখ করে, কোনো অবস্থাতেই নির্বাচন বর্জন করবেন না বলে নেতারা জানিয়ে দিয়েছেন।
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা পুলিশের সহায়তায় ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে নিষেধ করছে— বলে মন্তব্য করেছেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
গতকাল সকালে ঠাকুরগাঁও শহরের তাঁতীপাড়ার নিজ বাসভবনে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, নির্বাচনে জয়-পরাজয় থাকবেই। তবে বিএনপি শেষ পর্যন্ত লড়বে।
সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে বিএনপিসহ ঐক্যফ্রন্টই জয়ী হবে বলে জানান তিনি।
বিএনপির সাংগঠনিক তৎপরতা ভোটের দিনই দেখা যাবে বলেও জানান দলের নেতারা।
তারা বলেন-জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে তারা কাজ করবেন।
নির্বাচনে জয় পরাজয় নিয়ে যে ভবিষ্যৎবাণী করা হচ্ছে তার কোনো ভিত্তি নেই বলেও জানিয়ে দেন নেতারা।