এজেন্ডা ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময় সময়ক্ষেপণ ছাড়া অন্য কিছু নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।
তাছাড়া নির্বাচনের আগে অনুষ্ঠিত সংলাপের কোনো প্রতিশ্রুতিই না রাখায় এই গণভবনে চা-চক্রে যাওয়ার কোনো মানে নেই। প্রধানমন্ত্রীর এ আমন্ত্রণ নিয়ে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা হতাশা প্রকাশ করেছেন। তবে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে বৈঠকের পরেই চূড়ান্ত হবে সিদ্ধান্ত।
একাদশ সংসদ নির্বাচনে বড় বিপর্যের পরে নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ এনে এর ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। পরে পুনর্নির্বাচনের দাবি তুলে আবারো সংলাপের আহ্বান জানান ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন।
ড. কামালের এ আহ্বানের পরে নির্বাচনের আগে যেসব দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আবার সংলাপ করবেন বলে জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
অবশ্য পরে তিনি বলেন-এটা সংলাপ না নির্বাচন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি গণভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় ও চ-চক্রে অংশগ্রহণের জন্য শনিবার সন্ধ্যায় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের চিঠি দেয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রীর এই চা-চক্রে যাওয়ার ব্যাপারে অনাগ্রহের কথা জানান ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।
গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী বলেন-রাজনৈতিক এজেন্ডা ছাড়া এ চা-চক্রে গিয়ে কোনো লাভ নেই।
আরেকটি নতুন নির্বাচনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো এজেন্ডা নিয়ে সরকার যদি বিরোধীদের ডাকে তবে তা বিবেচনা করা যেতে পারে বলেও মত নেতাদের।
নির্বাচনের আগে সংলাপের নামে প্রধানমন্ত্রী যা করেছেন তাতে গোটা জাতি হতাশ হয়েছে উল্লেখ করে গণভবনে আয়োজিত এই ধরনের প্রীতিসম্মিলনে অংশগ্রহণের কোনো মানে নেই বলে মনে করছেন বিএনপির এ নেতা ড.জাফরুল্লাহ।