রাজনীতি

ডাকসু নির্বাচন, রাজনীতিতে ইতিবাচক ধারা তৈরি হবে

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

ডাকসু নির্বাচনে সবাই অংশ গ্রহণের মধ্যদিয়ে দেশে ইতিবাচক রাজনৈতিক ধারা তৈরি হবে বলে মনে করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

গোটা নির্বাচন ব্যবস্থাকে সরকার ধ্বংস করেছে বলে অভিযোগ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন-সে কারণেই অন্য সব নির্বাচনের মতই উপজেলা নির্বাচনেও জনগণের আগ্রহ নেই।

তবে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু নির্বাচনে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন বিএনপি মহাসচিব।

তার মন্তব্য-এতে ছাত্র রাজনীতিতে সুবাতাস বইবে— রাজনীতিতে নতুন প্রজন্মের আগ্রহ সৃষ্টি হবে।

রোববার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক আলোচনায় মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

ঢাকা রির্পোটার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক আলোচনায় অংশ নেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি অভিযোগ করেন-এই সরকারের অধীনে কোন নির্বাচনেই জনগণের আগ্রহ নেই।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু নির্বাচনে হারানো ছাত্র রাজনীতি আবার ফিরে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন-এতে করে নতুন প্রজন্মের রাজনীতিতে আসার আগ্রহ সৃষ্টি হবে।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতার অবনতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন-তার প্রতি এই আচরণ সুস্পষ্ট মানবাধিকার লঙ্ঘন।

খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের আহ্বনও জানান মির্জা ফখরুল।

ডাকসু নির্বাচন উপলক্ষে আজ-রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগামী সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়র পরিচয়পত্র ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা যানবাহন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ডিএমপি।

ওই এলঅকার প্রবেশমুখে বসানো হচ্ছে চেকপোস্ট— নিয়ন্ত্রণে থাকবে সাধারণ যান চলাচল বলে জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।

আগামীকাল –সোমবার এ নির্বাচন অনুষ্টিত হবে।

জানা গেছে, ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে সক্রিয় ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে ছাত্রলীগ ছাড়া আর কোনো সংগঠনই বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিতে পারেনি।

ডাকসুর গঠনতন্ত্রে নির্বাচন করার বয়স ত্রিশের মধ্যে দেয়া আর ক্ষমতাসীন ছাত্রসংগঠনের দৌরাত্বের কারণে হলগুলোতে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দেয়া সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ ছাত্রদলসহ অন্যান্য ছাত্র সংগঠনগুলোর।

তবে এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন উল্লেখ করে ছাত্রলীগ নেতারা বলেন, কর্মী সংকটের কারণেই অনেকের পক্ষে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দেয়া সম্ভব হয়নি।

ডাকসু নির্বাচনে কেন্দ্রীয়ভাবে ২৫টি এবং হল সংসদ নির্বাচনের জন্য ১৩টি পদ রয়েছে।

ডাকসুর ২৫টি পদের জন্য দুইশোর বেশি প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। আর হল সংসদ নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন পাঁচ শতাধিক প্রার্থী।

তবে, ডাকসুর কেন্দ্রীয় ২৫টি পদের জন্য সক্রিয় সকল সংগঠন পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিতে পারলেও বিশ্বদ্যালয়ের হলগুলোর জন্য নির্ধারিত ১৩টি পদের ক্ষেত্রে ছাত্রলীগ ছাড়া আর কেউ পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিতে পারেনি।

ডাকসুর গঠনতন্ত্র পরিবর্তনের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের অবস্থান না থাকার কারণে হলগুলোতে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দেয়া সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে ছাত্রদল।

আর বিশেষ একটি ছাত্র সংগঠনের দৌরাত্বের কারণে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দেয়া যায়নি বলে অভিযোগ বামসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীদের।

তবে, কর্মী সংকট আর নিজেদের জনপ্রিয়তা না থাকার কারণে অন্যান্য সংগঠন প্যানেল দিতে পারেনি বলে জানিয়েছে ছাত্রলীগ নেতারা।

এরই মধ্যে হল সংসদ নির্বাচনে তাদের বেশ কিছু প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন বলে জানান তারা।

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

রওশন এরশাদের সঙ্গে রাঙ্গা

বিদ্যুৎ বিপর্যয় নিয়ে বিরোধী দলের নেতারা যা বলছেন

এবার আরেক উপদেষ্টাকে অব্যাহতি দিলেন জিএম কাদের

জোর-জবরদস্তির নির্বাচন হবে, এমন মেসেজ পাচ্ছি: জিএম কাদের

আমরণ অনশনের ঘোষণা ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতদের

আলোচিত মহিউদ্দিন মহারাজের মনোনয়ন প্রত্যাহার

প্রধানমন্ত্রী সকল যড়যন্ত্র মোকাবিলা করে বীরদর্পে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে: মির্জা আজম

যা যা চাওয়া হয়েছে ভারত সব দিয়েছে: সেতুমন্ত্রী

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ