বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির প্রশ্নে প্যারোল নয় জামিন চায় বিএনপি।
দলের চেয়ারপারসনের সুচিকিৎসা ও মুক্তির দাবিতে গণ-অনশনে নেতারা আরো বলেছেন-দয়া দাক্ষিণ্য বা অনুকম্পায় নয়, আন্দোলনের মাধ্যমেই নেত্রীকে মুক্ত করা হবে।
দলের কর্মীদের আরো আত্মবিশ্বাসী ও সাহসী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে, যে কোনো মূল্যে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন তারা।
অনশনে বিশদল ও ঐক্যফ্রন্টের নেতারাও যোগ দেন।
বিএনপির সঙ্গে একাত্বতা প্রকাশ করে তারা বলেছেন-রাজপথের আন্দোলন ছাড়া কোনো দাবিই আদায় সম্ভব না।
বিএনপি নেত্রীকে প্যারোলে না যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন কোনো কোনো নেতা।
চেয়ারপারসনের সুচিকিৎসা ও মুক্তির দাবিতে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী রোববার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টটিউশনে গণঅনশনের আয়োজন করে বিএনপি।
শুরুর দিকের বক্তব্যে তৃণমূলের নেতারা নেত্রীর মুক্তির জন্য দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে রাজপথের কর্মসূচি চান। অনেকেই আবার দলের নেতৃত্বেরও সমালোচনা করেন।
সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই গণঅনশনে দুপুরের পরে এসে ঐকফ্রন্টের নেতারা যোগ দেন।
ঘরের ভেতরে সভা-সমাবেশ করে খালেদা জিয়ার মুক্তি সম্ভব নয় জানিয়ে প্যারোল প্রসঙ্গ নিয়েও তাদের মতামত তুলে ধরেন।
খালেদা জিয়ার মুক্তির প্রশ্নে প্যারোল নিয়ে সরকারের মন্ত্রীদের বক্তব্যের সমালোচনা করেন বিএনপি নেতারা।
তারা বলেন- আন্দোলনের মাধ্যমেই নেত্রীকে মুক্ত করা হবে।
দলের নেতাকর্মীদের ধৈর্য্য ধরার ও আরো আত্মবিশ্বাসী হওয়ার আহ্বানও জানান তারা।
যে কোন মূল্যে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি জানান, প্যারোলে নয়, তারা সব সময় বিএনপি নেত্রীর মুক্তির প্রশ্নে জামিনের কথাই বলে আসছেন।
বিকাল ৫টার দিকে নেতাদের অনশন ভাঙান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এমাজ উদ্দিন আহমেদ।