নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে গোলাগুলির প্রতিবাদে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই পৌর মেয়র কাদের মির্জা হরতালের ডাক দেন। সকালে হরতালের সমর্থনে মিছিল বের হলে পুলিশ এতে লাঠিচার্জ করে।
শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে হরতালের সমর্থনে মির্জা কাদেরের সমর্থিত নেতা-কর্মী বসুরহাট বাজারের রুপালী চত্তর থেকে জমায়েত হয়ে মিছিল নিয়ে থানার সামনে গেলে পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে।
মির্জা কাদেরের সমর্থকদের দাবি, সকালের দিকে পুলিশের মারমুখী আচরণ করে। এসময় পুলিশের লাঠিচার্জে তাদের ১২জন নেতাকর্মী আহত হন এবং কয়েকটি চেয়ার ভাঙচুর করা হয়।
আহতরা হলেন- উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক গোলাম ছারওয়ার, বসুরহাট পৌরসভা ৯নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি রাজীব, পিচ্ছি মাসুদ, পৌরসভা ৪নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, যুবলীগ নেতা আরজু সহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মী সমর্থক।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোম্পানীগঞ্জে দুইজন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কোম্পানীগঞ্জে র্যাব, ডিবি ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহিদুল হক রনি জানান, সকালে কাদের মির্জা ওসি এবং পরিদর্শক (তদন্ত) কে থানা থেকে বাহির করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে থানায় এসে পুলিশের মুখের ওপর হাত নিয়ে অশ্লীল কথাবার্তা বলে। কাদের মির্জা পুলিশের সিনিয়র অফিসারদের সঙ্গে গায়ে পড়ে মারমুখী আচরণ করে বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করলে পুলিশ হট্রগোল সৃষ্টিকারী মির্জার সমর্থকদের ওপর লাঠিচার্জ করে। / ভোকা