আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ইস্যু খুঁজে না পেয়ে বিএনপি এখন ব্যক্তিগত বিষয়াদি নিয়ে কথা বলছেন, যা রাজনৈতিক সৌজন্যবোধের মধ্যে পড়ে না। তাদের দৃষ্টি এখন কে কি পোষাক পড়ল, কে কত টাকার ঘড়ি পড়ল ইত্যাদি। বিএনপি রাজনীতি ভুলে এখন ব্যক্তিগত আক্রমণ শুরু করছে।
রবিবার (১৪ মার্চ) সকালে তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।
বিএনপি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে এখন গভীর হতাশায় নিমজ্জিত উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, হতাশার কারণে বিএনপি এখন তীব্র মনঃপীড়ায় ভুগছে। রাজনীতি ভুলে ব্যবহার্য বিষয় এখন তাদের আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যের বিরুদ্ধে বলার আগে নিজেদের চেহারা আয়নায় দেখুন।
আওয়ামী লীগ নাকি দেশে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে, বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ নয়, রাজতন্ত্র আর পরিবারতন্ত্র চর্চা বিএনপিরই রাজনৈতিক সংস্কৃতি।
বিএনপির শাসনামলে বেগম জিয়ার পাশাপাশি এক যুবরাজ সরকারের সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতো, গড়ে তুলেছিলেন বিকল্প ক্ষমতাকেন্দ্র, যাকে বলা হতো দুর্নীতির বরপুত্র।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, অপরদিকে জনগণ চাইলেও প্রধানমন্ত্রী তাঁর সন্তানদের সক্রিয় রাজনীতিতে আনেননি। রাজতন্ত্র কিংবা পরিবারতন্ত্রতো তারাই প্রতিষ্ঠা করেছে, তারা দলে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নেতাদের বাদ দিয়ে একজন অপরাধিকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করে রেখেছে। বিএনপি নেতারা অদৃশ্য সুতার টানে নাচেন।
বিএনপি সমালোচনার নামে প্রতিদিন সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার এমনকি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে মিথ্যাচার চালাবেন, আর এর জবাব দিলে বিএনপির কেন এত গাত্রদাহ হয়, তা জানতে চান? পরে ওবায়দুল কাদের বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে টাঙ্গাইল মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।
এসময় তিনি বলেন, ৭ ই মার্চকে ছোট করার জন্যই বিএনপি ৭মার্চ পালন করছে। সুবর্ণ জয়ন্তী পালনে তাদের আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে ইতিহাসের ফুট নোটকে ইতিহাসের মহানায়ক বানানোর অপচেষ্টা, জাতি এ ষড়যন্ত্র কোনোদিন বরদাশত করবে না। ইতিহাসের মীমাংসিত সত্যকে বিকৃত করতে বিএনপি স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করছে। / ভোকা