বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিদেশে উন্নত চিকিৎসার বিষয়ে দলীয় উদ্যোগ ‘সচল’ আছে বলে জানিয়েছেন দলটি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রবিবার (২৭ জুন) দুপুরে গুলশানে কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে হৃদযন্ত্র, ফুসফুস ও কিডনির নানা জটিলতায় অসুস্থ বিএনপি চেয়ারপারসনকে বিদেশে প্রেরণে সরকারি অনুমতির বিষয়ে দলের উদ্যোগ সম্পর্কে জানাতে চাইলে তিনি একথা জানান।
তিনি বলেন, এই বিষয়টা (দলের উদ্যোগ) অন আছে। এই বিষয়ে অগ্রগতি হলে আমরা অবশ্যই আপনাদেরকে জানাবো। খালেদা জিয়ার অবস্থা কেমন প্রশ্ন করা হলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তিনি এখন আগের চেয়ে কিছুটা ভালো অনুভব করছেন। প্রত্যেকদিন উনার (খালেদা জিয়া) চেকআপ হয়। টিম অব ডক্টরস আছেন যারা রাত্রে গিয়ে ডা. এএফএম সিদ্দিকী ও এজেডএম জাহিদ হোসেন সাহেব চেক আপ করেন। সপ্তাহে একদিন করে এখন গোটা টিম তাকে দেখবেন।
গত ২০ জুন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে স্থায়ী কমিটির সভায় বিএনপি চেয়ারপারসনকে দ্রুত উন্নত চিকিতসার জন্য বিদেশে নেওয়ার ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। গতকাল স্থায়ী কমিটির বৈঠকেও চেয়ারপারসনের শারীরিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
স্বাধীনতার ৫০ বছরেও ভোটাধিকার নিয়ে আন্দোলন করতে হচ্ছে: ফখরুল | The Daily Star Bangla
গত ১৪ এপ্রিল গুলশানের বাসায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন বিএনপি চেয়ারপারসন। সেখানেই তার চিকিৎসা নেন। পরে পোস্ট কোভিড জটিলতা নিয়ে গত ২৭ এপ্রিল তাকে বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রথম কয়েকদিন কেবিনে চিকিৎসাধীন থাকলেও ফুসফুসের জটিলতা ভয়ংকর আকার ধারণ করলে বিএনপি চেয়ারপারসনকে কেবিন থেকে করোনারী কেয়ার ইউনিট(সিসিইউ) নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখানে একমাস ছিলেন তিনি। ৫৩ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ১৯ জুন খালেদা জিয়া তার গুলশানের বাসায় ‘ফিরোজায়’ ফেরেন। এভারকেয়ার হাসপাতালে করোনা সংক্রামণ ঝুঁকি থাকার কারণে তাকে বাসায় নিয়ে আসা হয়। / ইত্তে