ঈদের পর সরকার পতনের আন্দোলন জোরেসারে শুরু হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। সেই আন্দোলনে দেশপ্রেমী সবাইকে অংশ নেওয়ার আহবানও জানান তিনি। সরকার পতনের আন্দোলন চলমান রয়েছে এবং থাকবে বলে জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ঢাকা কলেজ সাবেক ও বর্তমান ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।
‘নিউমার্কেটে ব্যবসায়ী ও ছাত্রদের সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে’এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
তিনি বলেন, সভাপতি একটা কথা বলেছেন যে, ঈদের পরে। ঈদের আগে ও পরে, বৃষ্টির আগে ও পরে এবং রোজার আগে ও পরে- আমি এই কথায় বিশ্বাস করি না। কারণ আন্দোলন চলমান। আন্দোলন কখনো কখনো বেগবান হয় আবার কখনো কখনো ধীরে হয়। আর কখনো কখনো আন্দোলন কিছুক্ষণের জন্য অপেক্ষা করে।
'একযুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা এই আন্দোলনটা করছি। এই আন্দোলনের লক্ষ্য একটা। সেটা হচ্ছে, বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন।'
পুলিশ বাহিনীকে শেখ হাসিনা জনগণের মুখোমুখি করেছেন বলেও মন্তব্য করেন গয়েশ্বর।
বর্তমান সরকার একটা চাঁদাবাজি সরকার মন্তব্য করে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সরকার তার দলকে চাঁদাবাজি ছাড়া আর কিছু সেখায়নি। মানুষের জায়গা দখল, জমি দখল, দোকান দখল- অর্থ্যাৎ, দখলদারি- চাপাবাজি এবং অস্ত্রবাজি হচ্ছে তাদের কাজ।
নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্য করে বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, এই যে টেলিভিশনের প্রতিদিন আমরা বক্তব্যে দিচ্ছি, এতে কি মানুষ সন্তুষ্ট হচ্ছে। মানুষ সন্তুষ্ট হচ্ছে না। কারণ মানুষ চায় আমরা রাস্তায় মোকাবেলা করি। মানুষ চায় আমরা মার খাই। মানুষ চায়, আমরা পাল্টা মার দেই।
কেন্দ্রীয় বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপুর সভাপতিত্বে সভায় বিএনপি নেতা আসাদুল করিম শাহীন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।