জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে সরকার জনগণের ১২টা বাজিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
তিনি বলেন, গ্যাস-বিদ্যুৎসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সব জিনিসের দাম বাড়লো। জিনিসের দাম বাড়লে শুধু ক্ষমতা দিয়ে সংসার চলে না। জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে আপনারা (সরকার) জনগণের ১২টা বাজিয়েছেন।
বুধবার (৮ জুন) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। গ্যাসসহ নিত্যপণের দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও খালেদা জিয়াকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে স্বেচ্ছাসেবক দল।
গয়েশ্বর বলেন, কোনো নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোট দিয়ে অতীতেও আপনারা নির্বাচিত হতে পারেননি, ভবিষ্যতেও পারবেন না। অতীতের মতো ফ্যাঁসিবাদী পুলিশ দিয়ে রাতের বেলা ভোট ছিনতাই করে আর ক্ষমতায় থাকার সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক কয়েকদিন আগে এক সভায় বলেছিলেন ৭ নভেম্বরের হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার। সেটাকে সরকারের লোকেরা বলতে চায়, তাদের স্বঘোষিত প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। জাতীয়তাবাদী দল কোনো খুনিদের দল না। খুন খারাবি বিশ্বাস করে না।
বিএনপির সিনিয়র এই নেতা বলেন, জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার জন্য ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়ে জনগণের সারিতে এসেছেন। ৭ নভেম্বর জাতীয়তাবাদী দেশপ্রেমী শক্তির একটি অনুপ্রেরণা স্লোগান। এর চেতনা গণতন্ত্রের মুক্তির চেতনা।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান। আরও বক্তব্য দেন ঢাকা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভূঁইয়া, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোনায়েম, কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম প্রমুখ।