আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কিছু হলে আওয়ামী লীগ ঘরে বসে আঙুল চুষবে না। রাজপথে আছি, রাজপথে থেকে তার সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।’
শুক্রবার (১০ জুন) বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের গেটে প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ সমাবেশে একথা বলেন তিনি।
১৯৭৫ আর ২০২২ এক কথা নয় উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে খুনিদের পুরস্কৃত করেছেন, ইনডেমনিটি দিয়েছেন। শেখ হাসিনার কিছু হলে আওয়ামী লীগ ঘরে বসে আঙুল চুষবে না। আওয়ামী লীগ রাজপথে আছে, রাজপথে থাকবে, রাজপথে সমুচিত জবাব দেবে। বঙ্গবন্ধুর কন্যার অপমান আমরা কোনো দিনও সহ্য করবো না, আমরা প্রতিবাদ করবো, প্রতিরোধ করবো, প্রতিশোধ নেবো।’
তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে কটূক্তি করলে আমাদের আবেগে লাগে, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে খারাপ কথা বললে আমাদের খারাপ লাগে, বঙ্গবন্ধু পরিবারকে অপমান করলে আমরা অপমানিত বোধ করি। শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দিলে আমাদের আবেগ আহত হয়, আমরা সহ্য করতে পারি না। আমরা কাউকে গালি দেই না, আমরা কারও বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করি না। যেটা বিএনপি শুরু করেছে।’
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন দেখে যখন দেশের মানুষ খুশি, তখন বিএনপি নেতাদের মুখে কালো মেঘ ঘনীভূত হয়েছে। বিএনপি দিনে আলোতে রাতের অন্ধকার দেখতে পায়, শেখ হাসিনার উন্নয়ন তারা দেখে না। পদ্মা সেতু ২৫ তারিখ, মেট্রোরেল আসছে। বঙ্গবন্ধু টানেল, মাতারবাড়ী আসছে। একের পর এক শেখ হাসিনা যখন উদ্বোধন করবেন, তখন আপনার চোখে সর্ষে ফুল দেখবেন।’
ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘নিজেরা কিছু করতে পারেন নাই। যে নিজে চোর, সেই অন্যকে চোর বলে। যে নিজে লুটপাট করেছে, সেই অন্যকে লুটপাটকারী বলে। তোমরা মিথ্যাচার করো, অপপ্রচার করো। আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন করে এসবের সমুচিত জবাব দেবো।’
বিক্ষোভ সমাবেশে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, মির্জা আজম, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কেন্দ্রীয় সদস্য শাহাবউদ্দিন ফরাজী, সানজিদা খাতুন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস প্রমুখ বক্তব্য দেন।