নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভিত্তি নেই, মানুষ এখন দলটিকে বিশ্বাস করে না। আবার বিরোধী দল হিসেবে বিএনপিকেও বিশ্বাস করে না। মানুষ বিকল্প চায়। তাঁরা সেই চেষ্টা করছেন।
মঙ্গলবার (২ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবে 'ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক প্রস্তাব' শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। গণসংহতি আন্দোলন এ সভার আয়োজন করে।
মান্না বলেন, গণতন্ত্র মঞ্চ নামে একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটবে। এটি বিকল্প শক্তি হিসেবে গড়ে উঠবে। আমরা একটা পরিবর্তন চাই এবং মানুষকে সেটি বোঝাতে হবে। এই পরিবর্তন শুধু সরকারের পরিবর্তন নয়, রাষ্ট্র ব্যবস্থারও পরিবর্তন।
তিনি বলেন, সরকার জনশুমারি করল; কিন্তু আমার কাছেই আসেনি। অনেকের কাছেই যায়নি জনশুমারির দল। ২ কোটি মানুষকে বাদ দেওয়ার কারণ কী হতে পারে? মাথাপিছু আয় বেশি দেখানো? তা ছাড়া তো আর কোনো কারণ দেখছি না।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ভোলার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যে জড়িত, এটা প্রমাণিত। কিছু দিন আগে প্রধানমন্ত্রী বললেন বিএনপিকে আন্দোলন করতে দেবেন। চা খেতে দেবেন। দু-একদিনের মধ্যেই সুর পরিবর্তন হয়ে গেছে। গত সোমবার বলেছেন, হাতে হারিকেন ধরিয়ে দেবেন, এই লাইসেন্স কে দিয়েছে?
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, যখন কোনো সরকার গুলি করে মানুষ মারে, তখন বোঝা যায়, তাদের পতন অনিবার্য। অতীতেও আমরা তাই দেখেছি।
মতবিনিময় সভায় রাজনৈতিক প্রস্তাব পাঠ করেন গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল। এতে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নুর, জাতীয় লীগের সভাপতি শাহরিয়ার ইফতেখার ফুয়াদ, জেএসডির শহীদউদ্দিন মাহমুদ স্বপন প্রমুখ বক্তব্য দেন।