আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির অনেক নেতা আওয়ামী লীগে যোগদান করার জন্য অপেক্ষায় আছেন। দরজা খুলে দিলে টের পাবেন, লাইন কত বড়। কাজেই এতো কথা বলবেন না।
শনিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি বারবার ডাক দিয়েও মানুষকে মাঠে নামাতে পারেনি। নির্বাচন এলে প্রমাণ পাবেন, শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা কতটা তুঙ্গে।
তিনি বলেন, আমাদের ক্ষমতার উৎস বাংলার জনগণ, অন্য কেউ নয়। বিদেশে আমাদের বন্ধু আছে, প্রভু নেই। আপনাদের (বিএনপির) মতো বিদেশে প্রভু নেই। আমরা কারও দয়ায় ক্ষমতায় আসিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ইতিহাসের পরিণতি বড় নির্মম। জিয়াউর রহমানের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। পলাশীর বিশ্বাসঘাতকদের কারও স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। যে বুলেট শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে এতিম করেছে, সে বুলেট বেগম জিয়াকেও বিধবা করেছে।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার পেছনের কুশীলবদের প্রচলিত আদালত ক্ষমা করলেও ইতিহাসের আদালত কাউকে ক্ষমা করবে না। জিয়া যদি বঙ্গবন্ধুর খুনীদের সাহস না দিতেন, তাহলে মঞ্চের খুনীদের এ দুঃসাহস হতো না। জিয়া খুনীদের পুরস্কৃত করেছিলেন এবং তাদের বাঁচাতে ইনডেমনিটি দিয়েছিলেন।
কাদের বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য আমরা যাদের প্রতিপক্ষ ভাবি, তারা আমাদের শত্রু ভাবে। তারা শত্রুর মতো ব্যবহার করে।
তিনি বলেন, নিজের নিরাপত্তার ব্যাপারে বঙ্গবন্ধুর আত্মবিশ্বাস ছিল তুঙ্গে। বঙ্গবন্ধু হত্যার মঞ্চের খুনীদের চিনলাম কিন্তু নেপথ্যের কারিগর কুশিলবদের চিনলাম না।
সেতুমন্ত্রী বলেন, সেদিন বঙ্গবন্ধু অনেককে ফোন করেছিলেন কিন্তু ছুটে আসেন কেবল কর্ণেল জামিল। এতো নেতা, এতো কর্মী যে দলে, তাদের কাউকে সে চ্যালেঞ্জে দেখতে পেলাম না। আমরা কেউ বঙ্গবন্ধুকে মরণেও ফুল দিতে পারিনি। সে ব্যর্থতার দায় কোনোদিনও আমরা অস্বীকার করতে পারব না। বিশ্বাসঘাতকতার নিকৃষ্টতম নজির এখানে আছে।