বিশ্বকাপের মতো দুর্দান্ত আসরে অনেক নতুন ফুটবলারই হয়ে যান তারকা। আবার অনেক তারকা ফুটবলারের কর্মকান্ড জন্ম দেয় নতুন বিতর্কের। কখনও তাদের কীর্তি এতটাই হতবাক করার মতো যে ফুটবল দক্ষতার চেয়ে বড় হয়ে উঠে তাদের উদ্ভট কর্মকাণ্ডগুলো। ফুটবল ম্যাচে প্রায়ই দেখা যায় দুই দলের ফুটবলারদের দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়তে। কখনও হার্ড ট্যাকল বা কখনও শারীরিক শক্তির লড়াই।
তবে তাই বলে প্রতিপক্ষের মুখে থুথু ছিটাবেন কোনো তারকা ফুটবলার? এমনই এক কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন নেদারল্যান্ডসের ফুটবল গ্রেট ফ্রাঙ্ক রাইকার্ড। ১৯৯০ বিশ্বকাপে মেজাজ হারিয়ে জার্মানীর রুদি ভলারের দিকে থুথু ছিটানোর মত ঘৃণ্য এক কাজ করে বিশ্বকাপের খলনায়ক হয়ে যান রাইকার্ড।
১৯৬২ তে চিলি বিশ্বকাপে ইতালি ও চিলির ম্যাচটি পরিণত হয়েছিল মুষ্টিযুদ্ধের রিং এ। চিলিয়ানদের কটাক্ষ করে প্রতিবেদন করেছিলেন ইতালির কিছু সাংবাদিক। নিরাপত্তার অভাবে পরবর্তীতে চিলি ছাড়তে বাধ্য হন তারা। তবে আজ্জুরি পাপারাজ্জিদের বাগে না পেয়ে চিলিয়ান ফুটবলাররা সেবার বেছে নিয়েছিল ইতালিয়ান ফুটবলারদের। মারামারি-হাতাহাতির সে ম্যাচটি পরবর্তীতে নাম পায় ব্যাটল অব সান্তিয়াগো।
কোনো এক দার্শনিক বলেছিলেন, আলোচিত ও জনপ্রিয় চরিত্রগুলো অসঙ্গতিতে ভরা। আর্জেন্টাইন ফুটবল গ্রেট দিয়েগো ম্যারাডোনা তার উজ্জ্বল প্রমাণ। ম্যারাডোনার অনেকগুলো উদ্ভট কর্মকাণ্ডের একটি হলো লা মানো ডি ডিয়োস বা হ্যান্ড অব গড। ৮৬ এর বিশ্বকাপে তার হাত দিয়ে করা গোলটি চিরদিনের জন্য ইংল্যান্ডের শত্রুতে পরিণত করেছে তাকে।
২০০৬ এর বিশ্বকাপ ফাইনালে মাতেরাজ্জির বুকে জিদানের ঢুঁশ। কিংবদন্তি একজন ফুটবলারের কাছ থেকে ফাইনালে এমন আচরণ শোভন নয় মোটেই। লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল জিদানকে। আবার অনেকে বলেন জিদানের মাঠের বাইরে চলে যাওয়ায় সেবার বিশ্বকাপ জেতা হয়নি ফ্রান্সের। তাইতো ১৯৯৮ বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক ২০০৬ সালে পরিণত হন খলনায়কে।