ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে হেক্সা জয়ের মিশন শুরু করেছে সেলেকাওরা। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে নেইমারের যুগল আর অস্কারের এক গোলে ক্রোয়েশিয়াকে ৩-১ এ হারিয়েছে লুইস ফিলিপ স্কলারির শিষ্যরা।
ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে নিঃসন্দেহে ফেভারিট ছিল ব্রাজিল। তবে ১৯৯৮ এ তৃতীয় স্থান দখল করা ক্রোয়েশিয়া যে কোন সময় অঘটন ঘটানোর ক্ষমতা রাখে। তবে দ্য ব্লেজার্স স্কোয়াডে মারিও মাঞ্জুকিচের অনুপস্থিতি সেলেকাওদের ডিফেন্সে কিছুটা হলেও স্বস্তি দিয়েছে।
রেফারির বাশিঁর পরই সেলেকাওদের রক্ষনে আঘাত হানে ক্রোয়েশিয়া। তবে অলিচের হেড পাস থেকে ব্রাজিলের জালে বল পাঠানোর সুযোগ নষ্ট করেন কোভাচিচ।
১১ মিনিটে সাও পাওলো স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকদের স্তব্ধ করে দিয়ে লিড নেয় ক্রোয়েশিয়া। মার্সেলোর আত্বঘাতি গোলে এগিয়ে যায় দ্য ব্লেজাররা।
পিছিয়ে পড়া সেলেকাওদের ম্যাচে ফেরান স্কলারির তুরুপের তাস নেইমার। ডি-বক্সের বাহির থেকে দূর্দান্ত এক গোল করেন এ ব্রাজিলিয়ান সেনসেশন।
ব্রাজিলের আক্রমণাত্বক খেলা রুখতে রক্ষনাত্বক খেলে যায় ক্রোয়েশিয়া। আর অতি রক্ষনাত্বকতার মাশুল দিতে হল ব্লেজারদের। ৬৯ মিনিটে ক্রোয়েশিয়ার ডি-বক্সে ফ্রেডকে ফাউল করে স্পটকিক উপহার দেন লোভরেন। এ ব্রাজিলিয়ান সেনসেশনের নেয়া কিক গোলরক্ষক হাতে স্পর্শ করলেও জালে প্রবেশ থেকে রুখতে পারলেন না। ম্যাচে দ্বিতীয় গোল করে গোল্ডেন বুটের দাবিদারদের খাতায় নাম লেখান নেইমার।
২-১ গোলে পিছিয়ে পরে ক্রোয়েশিয়ার রক্ষনাত্বক মনোভাব ছেড়ে আক্রমনে যায়। তবে ব্রাজিল রক্ষনে একজন ফিনিশারের অভাব ভালই টের পাচ্ছিল ব্লেজাররা। ব্রাজোভিচের নেয়া শট দারুনভাবে রুখে দেন জুলিও সিজার।
ক্রোয়েশিয়ার আক্রমন প্রতিহত করে কাউন্টার অ্যাটাকে যায় ব্রাজিল। আর তা থেকে ব্রাজিলকে তৃতীয় গোলটি এনে দেন অস্কার।
রেফারির শেষ বাশিঁর মধ্যে দিয়ে ৯০ মিনিটের লড়ায়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ আবারও রাখল লুইস ফিলিপ স্কলারির শিষ্যরা। জয় দিয়েই ব্রাজিল শুরু করলো তাদের হেক্সা মিশন।