সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশি বোলারদের দাপুটে বোলিং এ ভারতকে ১০৫ রানে অলআউট করেছে বাংলাদেশ। দুর্ধষ সুইং এ একাই পাঁচ উইকেট নেন এ ম্যাচে অভিষেক হওয়া বাংলাদেশী পেস বোলার তাসকিন আলী।
সবশেষ ২০০৮ সালে কলম্বোয় শ্রীলংকার বিপক্ষে মাত্র ১০৩ রানে অলআউট হয়েছিল ভারত। তবে জবাবে শুরুটাও ভালো হয়নি টাইগারদের। এ পর্যন্ত তাদের সংগ্রহ ছয় ওভার শেষে ২ উইকেট ২৪ রান।
ভারতের তৃতীয় সারির দলের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে হারের জবাব দিতে দ্বিতীয় ম্যাচটিকেই বেছে নেয় টাইগাররা।
তিন জেনুইন পেসার নিয়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ। শুরুর ব্রেক থ্রুটাও এনে দেন নড়াইল এক্সপ্রেস মাশরাফি। দলীয় এক রানে প্যাভিলিয়নে ভারতীয় ওপেনার আজিঙ্কা রাহানে। তার কিছুক্ষণ পরই শুরু হয় বৃষ্টি। বৃষ্টির বাধায় ৫০ ওভার থেকে কমিয়ে ৪১ ওভারে নির্ধারিত হয় খেলা।
এরপরই অভিষিক্ত ফাস্ট বোলার তাসকিন আহমেদের বিধ্বংসি স্পেল।
মাশরাফির যোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে কেন তার নাম নেয়া হয় তা জানিয়ে দিলেন অভিষেক ওয়ানডেতেই। নিজের প্রথম স্পেলেই ভারতীয় টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে পাঠান দীর্ঘদেহী এ ফাস্ট বোলার।
মাঝে রান আউট হয়ে দলীয় সর্বোচ্চ ২৭ রানে সাজঘরে অধিনায়ক সুরেশ রায়না। ভারতের রান তখন ছয় উইকেটে ৬৬।
এরপর স্ট্যুয়ার্ট বিনি ও অমিত মিশ্রকে আউট করে পাঁচ উইকেট পূরণ করেন তাসকিন আহমেদ।
শেষ উইকেট নিয়ে স্কোরবোর্ডে নিজের নাম তুললনে বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। মাত্র ১০৬ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি টাইগারদের। মারমুখী তামিম প্রথম বলটি চার দিয়ে শুরু করলেও দ্বিতীয় বলেই কট বিহাইন্ড হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন। আর ১৩ রানে ফিরে যান ওপেনার এনামুলও।