১৯৯৮ ও ২০১০ এর মতো এবারের আসরেও শেষ ষোলোতে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ চিলি। ওই দুবারই সহজ জয় পেয়েছিল ব্রাজিল। এবারও চিলিয়ানদের হারিয়ে হেক্সা জয়ে পথে আরো এক ধাপ এগিয়ে যেতে চাইবে অস্কার, নেইমাররা। এদিকে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন স্পেনকে বিদায় করে দেয়ার পর, এবার পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকেও হারিয়ে শেষ আট নিশ্চিত করার লক্ষ্য সানচেজ, ভার্গাসদের।
বিশ্বকাপের নক আউট পর্বের, প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি, দক্ষিণ আমেরিকার দুই দেশ চিলি ও ব্রাজিল।
‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়েই, রাউন্ড অফ সিক্সটিনে নাম লিখিয়েছে স্বাগতিক ব্রাজিল। প্রথম ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-১ গোলে জিতে অস্কার, নেইমাররা। পরের ম্যাচে মেক্সিকোর সঙ্গে গোলশূণ্য ড্র করলেও, তৃতীয় ম্যাচে ক্যামেরুনকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে, দারুণ আত্মবিশ্বাসী ৫ বারের চ্যাম্পিয়নরা।
সেলেকাওদের আক্রমণের স্পটলাইটে থাকবেন সুপারস্টার নেইমার। দুই ম্যাচে এরইমধ্যে ৪টি গোল করে গোল্ডের বুটের জোরালো দাবিদার এ ব্রাজিলিয়ান সেনসেশন।
এদিকে, প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ৩-১ গোলে হারানোর পর পরের ম্যাচে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন স্পেনকে ২-০ গোলে হারিয়ে সবাইকে চমকে দেয় চিলি। তবে তৃতীয় ম্যাচে হট ফেভারিট নেদারল্যান্ডসের কাছে ২-০ গোলে হার মেনে নিতে হয়েছে চিলিয়ানদের। ফলে ব্রাজিলের বিপক্ষে আন্ডারডগ হয়েই মাঠে নামবে ‘বি’ গ্রুপের রানার্সআপরা।
চিলির স্পটলাইটে থাকবেন প্রথম দুই ম্যাচের সেরা পারফরমার দুই চিলিয়ান স্ট্রাইকার, অ্যালেক্সিস সানচেজ ও এদুয়ার্দো ভার্গাস। আর তাদের সঙ্গ দিতে ব্রাজিলের বিপক্ষে মূল একাদশে ফিরতে পারেন চিলির অন্যতম সেরা মিডফিল্ডার আর্তুরো ভিদাল।
আর চিলির বিপক্ষে পরিসংখ্যান এগিয়ে রাখছে স্কলারির শিষ্যদের। ৬৮ বারের দেখায়, ৪৮টি ম্যাচ জিতেছে সেলেকাওরা। চিলি জিতেছে মাত্র ৭টিতে আর ড্র হয়েছে ১৩টি ম্যাচ।
ইতিহাসও সেলেকাওদের পক্ষে বিশ্বকাপে এর আগে ৫ বার নকআউট পর্বে উঠেছে চিলি। এর মধ্যে তিনবারই তারা হেরেছে ব্রাজিলের কাছে। যার মধ্যে ১৯৯৮ ও ২০১০ সালে শেষ ষোলোর এই লড়াইয়েই সেলেকাওরা হতাশ করে চিলিয়ানদের।
তবে কোচ লুইস ফেলিপে স্কলারি ২০১২ সালের নভেম্বরে দায়িত্ব নেয়ার পর চিলির সঙ্গে দুই বারের দেখায় ঘাম ঝড়েছে সেলেকাওদের। প্রথম ম্যাচে অল্পের জন্য জয় তুলে নিলেও ২০১৩ সালের এপ্রিলে শেষ দেখায় ২-২ গোলে ড্র করে সেলেকাওদের আটকে দেয় লা রোজারা।