শেষ ষোলোর লড়াইয়ে বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে যুক্তরাষ্ট্র। তিন ম্যাচ জিতে গ্রুপ এইচের অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন বিশ্বকাপের ডার্ক হর্স- বেলজিয়াম। এদিকে, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালকে পেছনে ফেলে জি গ্রুপের রানার্সআপ হয়ে এখন শেষ আটের স্বপ্ন দেখছে ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যানের যুক্তরাষ্ট্র।
নক আউট পর্বে র্যাং কিংয়ের ১১ নম্বর দল বেলজিয়ামের মুখোমুখি ১৩ নম্বর দল যুক্তরাষ্ট্র। শক্তি ও দর্শকপ্রিয়তা বিচারে অনেকটা একই কাতারে দুদল।
২০০২ সালের পর আবারো টুনার্মেন্টে কোয়ালিফাই করে, প্রথম রাউন্ডে তিনটি ম্যাচই জিতেছে বেলজিয়াম। আলজেরিয়া, রাশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া কোনো দলের সঙ্গেই বড় ব্যবধানে জিতেনি বিশ্বকাপের ডার্ক হর্সরা। তবে প্রথম ম্যাচের পর পরের দুটি ম্যাচে প্রতিপক্ষকে গোল করতে দেননি বেলজিয়ানদের মূল ভরসা গোলরক্ষক থিবো কর্তোয়া। বিশ্বের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক কর্তোয়া ছাড়াও দলে রয়েছে একঝাঁক দক্ষ খেলোয়াড়।
রোমেলু লুকাকু, এডেন হ্যাজার্ডের মতো তারকা ফুটলার রয়েছেন দলে। তবে বড় টুর্নামেন্ট খেলার অভিজ্ঞতায় পিছিয়ে রেড ডেভিলরা।
প্রথম ম্যাচে ঘানাকে ২-১ গোলে হারিয়ে চমক দেখায় যুক্তরাষ্ট্র। পরের ম্যাচে পর্তুগালকেও প্রায় হারিয়েই দিচ্ছিল অ্যামেরিকানরা।
শেষ ম্যাচে জার্মানির কাছে হারলেও জার্মানদের ফেভারিটের মত খেলতে দেয়নি ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যানের শিষ্যরা। গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে শেষ ষোলোর লড়াই নিশ্চিত করেন ক্লিন্ট ডেম্পসি, মাইকেল ব্র্যাডলি, টিম হাওয়ার্ডরা।
এদিকে, অ্যামেরিকানদের বিপক্ষে পরিসংখ্যানেও এগিয়ে বেলজিয়াম। পাঁচবারের দেখায় চারবার জিতেছে বেলজিয়াম, আর যুক্তরাষ্ট্র জিতেছে একবার।