ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে প্রথম সেমিফাইনালে ৮ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় স্বাগতিক ব্রাজিলের বিপক্ষে মাঠে নামবে তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি। ফাইনালে উঠতে হলে জয়ের কোনো বিকল্প নেই দুই দলেরই। তবে ব্রাজিল দলে নেইমার, সিলভা না থাকলেও এ নিয়ে মোটেও আত্মতুষ্টিতে নেই জার্মান কোচ জোয়াকিম লো।
তিনি বলন, ফাইনালে ওঠার লড়াইটা হবে হাড্ডা-হাড্ডি। সেইসঙ্গে এ ম্যাচ জিতে শুধু টুর্নামেন্টের ফাইনালেই নয় ১২ বছর আগের সেই পরাজয়ের শোধও নিতে চায় ব্ল্যাক এন্ড হোয়াইটসরা।
কোয়ার্টার ফাইনালে কলম্বিয়ার বিপক্ষে ২-১ গোলে জিতলেও দলের মূল ভরসা নেইমারকে পড়তে হয় ইনজুরির মুখে। ম্যাচ শেষ হওয়ার মাত্র চার মিনিট আগে কলম্বিয়ান ডিফেন্ডার হুয়ান ক্যামিলো জুনিগার হাঁটুর আঘাতে পিঠে ব্যাথা পান ব্রাজিলের এ স্কোরার। স্ট্রেচারে করে ফোর্তালেজা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে।
পরে চিকিৎসকরা বলেন, প্রায় ৪ থেকে ৫ সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকবেন নেইমার। ফলে এবারের বিশ্বকাপে আর মাঠে দেখা যাবে না তাকে।
শুধু নেইমারই নয়, কোয়ার্টার ফাইনালের পরপর দু'ম্যাচে হলুদ কার্ড পেয়ে সেমিফাইনালে খেলতে পারবেন না ব্রাজিলের অধিনায়ক থিয়াগো সিলভা। যা ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে অনেকটা দুশ্চিন্তাই ফেলে দিয়েছে সেলেকাও কোচ লুইস ফিলিপ স্কলারিকে।
ফাইনালে ওঠতে হলে জার্মানিকেও টপকাতে হবে ব্রাজিলের বাঁধা। তবে স্বাগতিক শিবিরে নেইমার না থাকায় খুব যে সুবিধা হবে তেমনটা মনে করেন না জার্মান কোচ জোয়াকিম লো। তিনি বলেন, লড়াইটা হবে হাড্ডা-হাড্ডি।
বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত ব্ল্যাক এন্ড হোয়াইটসের বিপক্ষে সেলেকাওদের দেখা হয় মাত্র একবার। ২০০২ সালে বিশ্বকাপের ফাইনালে জার্মানিকে ২-০ গোলে হারিয়ে পঞ্ঝমবারের মতো শিরোপা ঘরে তোলে ব্রাজিল। দীর্ঘ ১২ বছর পর সেই ব্রাজিলেরই মুখোমুখি জার্মানরা। তাই একে অনেকটা প্রতিশোধ নেয়ার ম্যাচ হিসেবেই দেখছেন জার্মান কোচ।