তিনবারের রানার্স আপ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ২টায় সেমিফাইনালের দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামবে দুইবারের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেও আর্জেন্টিনা দলে ফিরছেন স্ট্রাইকার সার্জিও আগুয়েরো। আর ইনজুরি থেকে ফিরেছেন নেদারল্যান্ডস মিডফিল্ডার নাইজেল ডি ইয়ং ফিরলেও পেটের পীড়ায় খেলা অনিশ্চিত রবিন ভ্যান পার্সির খেলা। ফাইনালের টিকেট পেতে নিজেদের উজার করে দিয়ে খেলবে দুদলই।
লিওনেল মেসিরা কি পারবেন ১৯৯০ সালের পর প্রথমবারের মতো আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলতে? নাকি ব্যাক টু ব্যাক ফাইনাল খেলবে নেদারল্যান্ডস? এসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে ব্রাজিল বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে।
ডাচদের মোকাবেলা করতে গিয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখেই পড়তে হবে আলবিসেলেস্তেদের। দলের অন্যতম ভরসা অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার ইনজুরিতে অ্যাটাকিং লাইনআপ নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে আলেহান্দ্রো সাবেয়াকে। টুর্নামেন্টে এখনো পর্যন্ত ফ্লপ থাকা স্ট্রাইকার সার্জিও আগুয়েরো ফিট হয়ে উঠলেও তাকে লড়তে হবে ইজেকুয়েল লাভেজ্জির সঙ্গে। ডি মারিয়ার রিপ্লেসমেন্ট হতে পারেন ম্যাক্সি রড্রিগেজ।
আর, যার জন্য আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলা, সেই লিওনেল মেসির কথা ভুলে গেলে চলবে না। যিনি থাকলে অনুপ্রানিত হন দলের অন্য খেলোয়াড়রা। মারাকানার ফাইনালে যেতে সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিতে হবে এই নাম্বার টেনকে।
তবে মেসিকে আটকাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন ইনজুরি থেকে ফেরা ডাচ মিডফিল্ডার নাইজেল ডি ইয়ং।
লুই ভ্যান গালের অসাধারণ ট্যাকটিক্স আর রোবেন, পার্সি, স্নাইডারদের নিয়ে গড়া টুর্নামেন্টের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ অ্যাটাকিং লাইনআপই সেমিতে উঠিয়েছে নেদারল্যান্ডসকে। এই ত্রয়ীকে রুখতে সাবেয়ার দলের শক্তি বাড়াবেন সাসপেনশন থেকে ফেরা মার্কোস রোহো।
বেলজিয়ামের বিপক্ষে ভালো পারফর্ম করে সাদা আকাশীদের আশা জাগাচ্ছেন পাবলো জাবালেতা, মার্টিন দেমিকেলিস ও হ্যাভিয়ের মাশ্চেরানোরা। নেদারল্যান্ডসকে আটকানো যে অসম্ভব নয়, সেটা দেখিয়ে দিয়েছে কোস্টারিকা। সেমির টিকেট পেতে টাইব্রেকার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে ডাচদের।
এর আগে তিনবার ফাইনালে উঠলেও হাঁসিমুখে বাড়ি ফিরতে পারেনি নেদারল্যান্ডস। আর ২৮ বছরে কাঙ্খিত সোনালি ট্রফিটা ছুঁয়ে দেখা হয়নি আর্জেন্টিনার। তাই আক্ষেপ ঘোঁচানোর লক্ষ্যে, আরো একবার ফাইনাল খেলতে সবরকম চেষ্টা করবে দুদলই।