গোলরক্ষক রোমেরোর অসাধারণ নৈপুন্যে দুই যুগ পর বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে নেদারল্যান্ডসকে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে হারিয়ে ফাইনালে জার্মানির সঙ্গি হলো আলবি সেলেস্তেরা। নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত ৩০ মিনিট গোলশূন্য থাকলে ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টি শুট আউটে।
আর্জেন্টিনার এ গোলরক্ষকের কাছেই হেরে গেল নেদারল্যান্ডস। টাইব্রেকারে রন ভ্লার আর ওয়েসলি স্নাইডারের শট রুখে দিয়ে দলকে নিয়ে গেলেন স্বপ্নের ফাইনালে।
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে কখনো হারেনি আর্জেন্টিনা। সেই ঐতিহ্য ধরে রেখেই পেনাল্টি শুট আউটে ডাচদের ৪-২ গোলে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেল আলবিসেলেস্তেরা। নির্ধারিত ৯০ ও অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে কোনো গোল না হয়ে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।
তিন বারের রানার্স আপ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে মাঠে নামে দুইবারের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। এ ম্যাচে ডি মারিয়ার জায়গায় দলে সুযোগ পান পেরেস। দুই হলুদ কার্ডের কারণে কোয়ার্টার ফাইনাল মিস করা মার্কোসও ফেরেন এ ম্যাচে। এদিকে, চোট কাটিয়ে ডাচ দলে যোগ দেন নাইজেল ডি ইয়ং। সেইসঙ্গে পেটেরপীড়া সেরে মাঠে নামেন অধিনায়ক রবিন ভান পার্সিও।
তবে সেমিফাইনালের স্বাদ পাওয়া যাচ্ছিল না ম্যাচে। দুয়েকবার আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ হলেও গোলশূন্য থাকে প্রথমার্ধ। দুই দলের আক্রমণই মুখ থুবড়ে পড়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে গিয়ে।
দ্বিতীয়ার্ধের অতিরিক্ত সময়ে দলকে নিশ্চিত বিপদের হাত থেকে বাচান আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার হ্যাভিয়ের মাশ্চেরানো। ডি বক্সের ভেতর আরিয়েন রোবেনের শট রুখে দেন তিনি। অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও গোলের দেখা পায়নি কোনো দল।
মারাকানার ফাইনালে শিরোপার লড়াইয়ে জার্মানির মুখোমুখি হবে মেসিরা।