চব্বিশ বছর পর শিরোপা জিতে রিও ডি জেনিরোর মারাকানা স্টেডিয়ামে যেমন উৎসবে মেতেছিলেন থমাস মুলার ও মেসুত ওজিলরা। তেমনি বাংলাদেশেও জার্মানির জয় উদযাপনে অংশ নিয়েছে দলটির সমর্থকরা। অন্যদিকে, আরো একবার জার্মানির কাছে হেরে বিশ্বকাপ মিশন শেষ হওয়ায় হতাশ আর্জেন্টিনার সমর্থকরা।
বিশ্বকাপের ফাইনাল হলো সাত সমুদ্র তেরো নদীর ওপারে সুদূর রিএ ডি জেনিরোতে। কিন্তু ফাইনালের উত্তেজনার ঢেউয়ে কেপেছে বাংলাদেশও। শহরে-বন্দরে গ্রামে-গঞ্জে যে যেখানে পেরেছে টেলিভিশন সেটের সামনে বা বড় পর্দায় উপভোগ করেছে প্রিয় দলের খেলা।
জার্মানি আর আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে আর পতাকা হাতে রাত জেগে খেলে উপভোগ করেছেন দেশের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীরা।
শেষ হাসি হেসেছে জার্মানিই। প্রিয় দলের বিজয়ে বাধভাঙ্গা উল্লাসে ফেটে পড়েন সমর্থকরা। বাজি পুড়িয়ে, নেচে গেয়ে জার্মানির বিজয়োৎসবে সামিল হন ভক্তরা।
জার্মানির বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দের ভাগিদার হন অনেক ব্রাজিল সমর্থকও।
অন্যদিকে, আরো একবার জার্মান ট্র্যাজেডির শিকার হলো আর্জেন্টিনা। কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেক সাদা আকাশী সমর্থক। লিওনেল মেসির জন্য যেমন আক্ষেপ ঝরে অনেকের কণ্ঠে তেমনি আবার ভবিষ্যতের জন্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন অনেকেই।
শেষ হয়ে গত গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ ব্রাজিল বিশ্বকাপের এবারের আয়োজন। এ টুর্নামেন্টকে ঘিরে পুরো বিশ্বের মতো প্রায় একমাস মেতেছিল বাংলাদেশও। ৩২ দিনের এই মহারণ কখনো হাসিয়েছে, আবার কখনো কাঁদিয়েছে ফুটবল ভক্তদের। সবকিছু মিলিয়ে ব্রাজিল বিশ্বকাপ স্মরনীয় হয়ে থাকবে বাংলাদেশের সমর্থকদের কাছে।