বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ও ওয়ারি স্পোর্টিং ক্লাবের পয়েন্ট কেটে নেয়ার পাশাপাশি দুই ক্লাবকেই আর্থিক জরিমানা করেছে পেশাদার লিগ কমিটি।
একইসঙ্গে সমঝোতামূলক ম্যাচ খেলার প্রমাণ পাওয়ায় ওয়ারি ক্লাবের ৩ কর্মকর্তা ও ৪ খেলোয়াড়কে বিভিন্ন মেয়াদে বহিস্কার করেছে ফেডারেশন।
বহিস্কৃত ক্লাব কর্মকর্তাদের অভিযোগ ক্লাবের উপর ক্ষোভ থাকার কারণেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফেডারেশন।
তবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন -বাফুফে কর্মকর্তারা এ অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছেন।
পয়েন্ট কেটে নেয়া ও আর্থিক জরিমানার পরও শুধুমাত্র ওয়ারি ক্লাবের কর্মকর্তা ও খেলোয়াড়দের বহিস্কারের শাস্তিমূলক সিদ্ধান্তকে ক্লাবের প্রতি বাফুফের কোনো কোনো কর্মকর্তার ব্যক্তিগত আক্রোশের প্রতিশোধ বলে মন্তব্য করেছেন ওয়ারি ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো.শহিদুজ্জামান।
সোমবার সাংবাদিকদের কাছে পেশাদার লিগ কমিটির চেয়ারম্যান আবদুস সালাম মুর্শেদি এমন অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করে বলেন, ম্যাচ পাতানোর ঘটনা প্রমাণিত হওয়ায় আইন অনুযায়ী শাস্তির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
আবদুস সালাম মুর্শেদি আরো বলেন, ওয়ারি ক্লাবের বহিস্কৃত কর্মকর্তা ও খেলোয়াড়রা চাইলে আপিল করতে পারেন। সেক্ষেত্রে বাই লজ অনুযায়ী তাদের শাস্তির বিষয়টি পুনবিবেচনা করা হবে।