তাইজুল ইসলামের অনবদ্য নৈপুন্যে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনেই জয় পেল বাংলাদেশ। এর মধ্য দিয়ে ৩ ম্যাচের সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল টাইগাররা।
জিম্বাবুয়ের দেয়া ১০১ রানের টার্গেট ৩ উইকেট ও ২ দিন হাতে রেখেই টপকে যায় স্বাগতিকরা। এর আগে তাইজুলের বোলিং তোপের সামনে ১১৪ রানে অলআউট হয়েছিল জিম্বাবুয়ে।
এলটন চিগুম্বুরার বলে স্কয়ার লেগে পুল করে বাংলাদেশকে টেস্টে বছরের প্রথম জয় এনে দিলেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। এ জয়ের আনন্দে যেন একটু বেশিই উচ্ছ্বসিত টাইগাররা। কারণ ২০১৩ সালের এপ্রিলের পর এটিই টেস্টে বাংলাদেশের প্রথম জয়।
সোমবার মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিনের পুরোটাই ছিলো রোমাঞ্চে ভরপুর। স্পিনার তাইজুলের এক ইনিংসে ৮ উইকেটের রেকর্ডে জিম্বাবুয়েকে ১১৪ রানেই বেধে ফেলে বাংলাদেশ।
১০১ রানের ছোট্ট টার্গেট। তখন কে-ই বা ভেবেছিলো এ ম্যাচ এতোটা স্নায়ুক্ষয়ী হবে। স্বভাবসুলভভাবেই সহজ ম্যাচকে কঠিন করে তোলেন তামিম, শামসুর, মুমিনুলরা। স্কোরবোর্ডে কোনো রান তোলার আগেই ৩ উইকেট নেই বাংলাদেশের।
মিরপুরের আনইভেন বাউন্সের উইকেটে ব্যাট বলে ঠিকমতো সংযোগ করতে পারছিলেন না ব্যাটসম্যানরা। সাকিব আল হাসানকে সঙ্গে নিয়ে প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দেন প্রথম ইনিংসে ফিফটি করা মাহমুদুল্লাহ।
সাকিব ১৫ রান করে ফিরে গেলে মুশফিকের সঙ্গে জুটি গড়েন মাহমুদুল্লাহ। দলীয় ৬২ রানে মাহমুদুল্লাহকেও চিগুম্বুরা বোল্ড করলে আবারো দুঃশ্চিন্তায় পড়ে যায় বাংলাদেশ শিবির।
৮২ রানের মধ্যে ৭ উইকেট হারিয়ে বসে টাইগাররা। জিম্বাবুয়ের প্রয়োজন ৩ উইকেট, আর বাংলাদেশের তখন প্রয়োজন ১৯ রান। তবে এবার আর সুযোগ দিলেন না মুশফিকুর রহিম। বল হাতে জাদু দেখানোর পর ব্যাট হাতেও দলের জয়ে অবদান রাখলেন এ ম্যাচের হিরো তাইজুল ইসলাম। মুশফিকের অপরাজিত ২৩ ও তাইজুলের অপরাজিত ১৫ রানে ৩ উইকেটের জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ।