খুলনা টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২৬৬ রানের লিড নিয়েছে বাংলাদেশ। দিনশেষে দ্বিতীয় ইনিংসে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২০১ রান। মাহমুদুল্লাহ ৬৩ ও শুভাগত অপরাজিত রয়েছেন ২৩ রানে।
এর আগে, সাকিবের স্পিন ঘূর্ণিতে প্রথম ইনিংসে ৩৬৮ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা। ক্যারিয়ারে ১৩ বারের মতো পাঁচ উইকেট নিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে নতুন রেকর্ড গড়লেন সাকিব আল হাসান।
খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে ৫ উইকেটে ৩৩১ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে জিম্বাবুয়ে। ৩৭ রানের মধ্যে সফরকারীদের অলআউট করে টাইগাররা।
টেস্ট ক্যারিয়ারে ১৩ তম বারের মতো ৫ উইকেট নেয়ার পাশাপাশি, দ্বিতীয়বারের মতো একই টেস্টে সেঞ্চুরি ও পাঁচ উইকেট নেয়ার বিরল কীর্তি গড়েন সাকিব। এছাড়াও তাইজুল ইসলাম ৩টি ও রুবেল হোসেন নেন ২টি উইকেট।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২০ রান করে সফট ডিসমিসালে সাজঘরে ফিরে যান প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান তামিম। এর কিছুক্ষণ পরই ফিরে যান শামসুরও। ২৩ রান করে ওয়্যালারের প্রথম শিকারে পরিণত হন তিনি। শামুসুর আউট হলে দলের হাল ধরেন মাহমুদুল্লাহ ও মমিনুল হক। অর্ধশতক তুলে নেয়ার পাশাপাশি সবচেয়ে দ্রুত এক হাজার রানের ক্লাবে নিজের নাম লেখান মমিনুল।
ভালোই এগুচ্ছিলো মাহমুদুল্লাহ-মমিনুল জুটি। তবে হঠাৎ যেন ছন্দপতন স্বাগতিক শিবিরে। ব্যক্তিগত ৫৪ রানে মমিনুলের বিদায়ের পর ৬ রান করে নেই সাকিবও।
এরপর ক্রিজে এসে প্রথম বলেই আউট অধিনায়ক ও মুশফিক। ১৩১ থেকে ১৪৫ মাত্র ১১ রানের মধ্যে গুরুত্বপুর্ণ তিন উইকেট হারিয়ে হঠাৎ করেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
তবে অন্যপ্রান্তে, হাল ছাড়েননি মাহমুদুল্লাহ। ক্যারিয়ারের দশম অর্ধশতক তুলে নেয়ার পাশাপাশি, একই টেস্টে ব্যাক টু ব্যাক হাফসেঞ্চুরি করেন তিনি।
এ টেস্টে জয়ের সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখতে শেষদিনে লাঞ্চের আগে কমপক্ষে সাড়ে ৩০০ রানের লিড দরকার। তারপর নিতে হবে জিম্বাবুয়ের ১০ উইকেট। বাংলাদেশ এখন এগিয়ে ২৬৬ রানে। হাতে রয়েছে আরো ৫ উইকেট।
জয়ের স্বপ্ন পূরণ করতে মাহমুদুল্লাহ ও শুভাগত হোমদের ব্যাটের দিকেই তাকিয়ে থাকবেন ক্রিকেট ভক্তরা।