টেস্টে ক্রিকেটে ১৫ বছরে পা দিলো বাংলাদেশ। ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর টেস্ট ক্রিকেটের ভুবনে পথচলা শুরু করে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। এ পর্যন্ত ৮৭টি টেস্ট খেলে ৭০টি হারের বিপরীতে মাত্র ৬টি জয়ের মুখ দেখে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা, যার মধ্যে তিনটিই ঘরের মাঠে।
১০ নভেম্বর, ২০০০। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে সাদা পোষাকে মাঠে নামে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। দশম দেশ হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে যাত্রা শুরু করে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। একে একে ১৪টি বছর পার করে ১৫তে বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেট।
এ পর্যন্ত ৮৭টি টেস্ট খেলে ৭০টি হারের বিপরীতে মাত্র ৬টি জয় পেয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট জয়ের মুখ দেখে বাংলাদেশ। বিদেশে প্রথম টেস্ট এবং প্রথম সিরিজ জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০০৯ সালে। টেস্টে এখন পর্যন্ত এটিই বাংলাদেশের সেরা সাফল্য।
সর্বশেষ সাফল্য জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চলমান হোম সিরিজে। তাইজুল-সাকিব-মুমিনুলের রেকর্ড গড়ার পাশাপাশি এক টেস্ট বাকি থাকতেই তৃতীয়বারের মতো টেস্ট সিরিজ জয় করেছে টাইগাররা।
দেশের প্রথম বোলার হিসেবে এক ইনিংসে ৮ উইকেট নেয়ার রেকর্ড গড়েন তাইজুল ইসলাম। এদিকে, খুলনা টেস্টে, তৃতীয় অলরাউন্ডার হিসেবে একই টেস্টে সেঞ্চুরি ও ১০ উইকেট নেয়ার রেকর্ড গড়েন সাকিব আল হাসান। সেই সঙ্গে টেস্ট র্যা ঙ্কিংয়ে এক ধাপ ওপরে উঠে নবম স্থান নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। ২০১৪ সালটা তাই স্মরণীয় বাংলাদেশের টেস্টে ক্রিকেটের জন্য।
২০০০ সালে যে অধ্যায়ের সূচনা করেছিলেন মেহরাব, দুর্জয়,পাইলটরা, তাকে আরো অনেকদূর এগিয়ে নেবে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা, এটিই প্রত্যাশা দেশের কোটি কোটি ভক্তের।