চট্টগ্রামে টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৫২ রানে এগিয়ে টাইগাররা। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দিনশেষে স্বাগতিকদের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ২৩ রান। এর আগে বাংলাদেশের ৫০৩ রানের জবাবে জুবায়ের হোসেনের ঘূর্ণি ম্যাজিকে ৩৭৪ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে।
বাংলাদেশের ৫০৩ রানের জবাবে ১ উইকেটে ১১৩ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করেন দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান সিকান্দার রাজা ও হ্যামিলটন মাসাকাদজা। ভালো গতিতেই এগুচ্ছিল সফরকারিদের ইনিংস। তবে রাজা ও মাসকাদজার ১৬০ রানের জুটি ভেঙে, দিনের প্রথম সাফল্যের মুখ দেখেন পেসার শফিউল ইসলাম।
৩ ওভার পরেই ৪৭ ওভারে রানের খাতা খোলার আগেই টেইলরকে এবং ২ বল পরে ৮২ রান করা রাজাকে সাজঘরে ফেরত পাঠান লেগস্পিনার জুবায়ের হোসেন। ক্রেইগ আরভিনকেও বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে দেন নি জুবায়ের। অল্প সময়ের মধ্যে তিনটি উইকেট নিয়ে দলকে চালকের আসনে বসান তিনি।
তবে ৬ষ্ঠ উইকেটে ১১৩ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় সামাল দেন চাকাভা ও চিগুম্বুরা, অর্ধশতক তুলে নেন দুই জনেই। ৬৫ রান করা চাকাভাকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে, দলকে ব্রেকথ্রু এনে দেন শফিউল।
এরপর স্পিন ঘূর্ণিতে মুতুম্বামিকে সাকিব এবং শিনজি মাসাকাদজাকে পরাস্ত করেন তাইজুল। কিন্তু চিগুম্বুরাকে আউট করতে পারছিলেন না কেউ।
তখনই আবারো দলের ত্রাণকর্তা জুবায়ের। জিম্বাবুয়ের প্রথম ইনিংসের সেরা পারফরমার চিগুম্বুরাকে আউট করেন তিনি। ৮৮ রান করে ইমরুলের ক্যাচে পরিণত হন চিগুম্বুরা। এরপর মুশাংওয়েকেও সাজঘরে পাঠিয়ে, ক্যারিয়ারের তৃতীয় টেস্টেই, প্রথমবারের মতো এক ইনিংসে পাঁচ উইকেট তুলে নেন জুবায়ের। তাঁর স্পিন জাদুতে ৩৭৪ রানেই অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে।
১২৯ রানে এগিয়ে থেকে দিনের শেষ ৮ ওভার খেলতে মাঠে নামেন তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস। দিনশেষে কোনো উইকেট না হারিয়ে ২য় ইনিংসে ২৩ রান করেন এই দুই বাঁ-হাতি ওপেনার। তামিম ৮ ও ১১ রানে অপরাজিত আছেন ইমরুল।
চতুর্থ দিনে ১৫২ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাট করতে নামবেন প্রথম ইনিংসের দুই সেঞ্চুরিয়ান।