চট্টগ্রামে টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের লিড ৪৪৯ রানের। তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ টেস্টের চতুর্থ দিনে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩১৯/৫। মুমিনুল করেছেন ১৩১ রান। ব্যাট করছে জিম্বাবুয়ে।
বিনা উইকেটে ২৩ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। দলীয় ৩৬ রানে ওপেনার ইমরুল কায়েসকে ফেরত পাঠান তিনাসে পানিয়াঙ্গারা।
দ্বিতীয় উইকেটে মুমিনুল হকের সঙ্গে ১১৩ রানের জুটি গড়েন তামিম ইকবাল। ৬৫ রান করে তামিম ফিরে গেলেও মাহমুদুল্লাহ'র সঙ্গে খেলে যান মুমিনুল। ব্যক্তিগত ৩০ রানে বিদায় নেন মাহমুদুল্লাহ। এক প্রান্ত আগলে রেখে ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি তুলে নেন মুমিনুল হক।
শনিবার সকালে ইমরুল কায়েসের বিদায়ের পর ক্রিজে আসানে মুমিনুল। দ্বিতীয় উইকেটে তামিম ইকবালের সঙ্গে ১১৩ রানের চমৎকার একটি জুটি উপহার দেন তিনি। তামিমের বিদায়ের পর মাহমুদু্লাহ রিয়াদকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশকে বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যান মুমিনুল।
মধ্যাহ্ন-বিরতির আগে শেষ ওভারে সিকান্দার রাজার বলে ২ রান নিয়ে অর্ধশতক পৌঁছান অভিষেকের পর থেকে দারুণ ধারাবাহিক মুমিনুল। এই অর্ধশতকে এভারটন উইকস, সুনীল গাভাস্কার, মার্ক টেইলরদের মতো কিংবদিন্তদের পাশে দাঁড়ান তিনি। তাদের প্রত্যেকেরই প্রথম ১২ টেস্টে ১১টি পঞ্চাশোর্ধ রানের ইনিংস রয়েছে।
চট্টগ্রামে তিন টেস্টে এটি মুমিনুলের তৃতীয় শতক। গত বছর নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে নিজের প্রথম শতকটি পান তিনি। ১৮১ রানের সেই ইনিংস এখনো তার ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ।
গত ফেব্রুয়ারিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলতে এসে আবার শতক পান তিনি। অপরাজিত ১০০ রানের সেই ইনিংস খেলার পর থেকে নিজের রান আর তিন অঙ্কে নিয়ে যেতে পারছিলেন না তিনি। এরপর চারবার অর্ধশতক পেলেও তার কোনোটিই ৬০ পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারেননি মুমিনুল।
অর্ধশতকে পৌঁছানোর পরপরই আউট হয়ে যাওয়া নিয়ে তাই একটু দুর্ভাবনায় ছিলেন মুমিনুলও। খুলনা টেস্ট চলার সময় সে কথা বলেছিলেনও এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। এবার সেই দুর্ভাবনা দূর হল তার।
এই শতকে সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিমকে ছাড়িয়ে গেলেন মুমিনুল। তাদের তিনটি করে টেস্ট শতক রয়েছে। মুমিনুলের সামনে আছেন কেবল তামিম ও মোহাম্মদ আশরাফুল। এই দুই জনের ছয়টি করে শতক রয়েছে।