বাংলাদেশের দেয়া ২৯৮ রানের টার্গেটে তৃতীয় ওয়ানডেতে ব্যাট করতে নামে জিম্বাবুয়ে সব উইকেটে ৩৯.৫ ওভারে ১৭৩ রান করেন তারা।
এর আগে ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৯৭ রান করেন বাংলাদেশের টাইগাররা। বুধবার শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাবুয়ে দল।
প্রথম ওয়ানডের মতো তৃতীয় ওয়ানডেতেও টস জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নেন সফরকারী দলপতি এলটন চিগুম্বুরা। তবে এবার আর তাড়াতাড়ি ওপেনিং জুটিতে ভাঙ্গন ধরাতে পারেনি তারা।
স্কোর বোর্ডে বড় অংকের আভাস পাওয়া যাচ্ছিল শুরু থেকেই। তামিম স্বভাবসুলভ না খেললেও তা পুষিয়ে দেন বিজয়। ক্যারিয়ারের তৃতীয় হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি।
দলীয় ১২১ রানে ছন্দপতন ঘটে স্বাগতিক শিবিরে। রান আউটের শিকার হন তামিম।
আনামুলের সঙ্গে এরপর বড় জুটি গড়তে ব্যর্থ হন মোমিনুল। দলীয় ১৬০ রানে, ১৫ রান করে বিদায় নেন তিনি।
মোমিনুল বিদায় নেয়ার পর ৭ রানের মধ্যে বিদায় নেন আনামুলও। পাঁচ রানের জন্য শতক বঞ্চিত হন এই ওপেনার।
অবশ্য সে যাত্রায় সামলে নেন সাকিব ও মুশফিক। এই দুই অভিজ্ঞতার ব্যাটে ভর করে স্কোর এগিয়ে যায় বাংলাদেশের। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ৪ হাজার রানের মাইল ফলক ছুঁতে, এই ম্যাচে সাকিবের দরকার ছিল আর ৬৪ রান। তবে এই ম্যাচে আর রেকর্ড গড়া হলো না তার। ৪০ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। ২৩৯ রানে ৪ উইকেট হারায় টাইগাররা।
এরপর স্কোরকে বেশিদূর এগিয়ে নিতে পারেননি মুশফিকও। ৩৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন এই টেস্ট অধিনায়ক।
এরপর সাব্বিরের ঝড়ো গতির ২২ ও মাহমুদুল্লাহর হার না মানা ৩৩ রানে, শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ২৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করান টাইগাররা।
হ্যামিল্টন মাসাকাদজার বলে টিমিসেন মারুমার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন তিন নম্বরে ফেরা মুমিনুল হক। টাফাজওয়া কামুনগোজির বলে শিঙ্গি মাসাকাদজার ক্যাচে পরিণত হয়ে বিদায় নেন এনামুল হক।
বাংলাদেশ দলে এসেছে একটি পরিবর্তন। আল-আমিন হোসেনের বদলে দলে ফিরেন আরেক পেসার শফিউল ইসলাম।
অন্যদিকে, জিম্বাবুয়ে দলে হয়েছে তিনটি পরিবর্তন। সিকান্দার রাজা, জন নিউম্বু ও টেন্ডাই চাটারা বাদ পড়েছেন। দলে এসেছেন নেভিল মাডজিভা, টিমিসেই মারুমা; অভিষেক হয়েছে পিটার মুরের।
প্রথম দুই ওয়ানডেতে জিতে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। এ ম্যাচ জিতলেই সিরিজ নিশ্চিত হয়ে যাবে স্বাগতিকদের।