ক্রিকেটে সাম্প্রতিক সাফল্যে উজ্জীবিত বাংলাদেশ। সাকিব-তামিমদের পাশপাশি দলে নতুন সম্ভাবনা জাগিয়েছেন তরুণ ক্রিকেটাররা। এ বছর ওয়ানডেতে অভিষেক হয়েছে ৮ ক্রিকেটারের।
এরমধ্যে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই অভিষেক হয়েছে শাব্বির রহমান, জুবায়ের হোসেন, সৌম্য সরকার ও তাইজুল ইসলামের। আর এ নতুনদের নৈপুণ্যে নতুন সাফল্য আসছে বাংলাদেশের ক্রিকেটে।
শুরুটা ভালো না হলেও, বছরের শেষটা হয়েছে দারুণ। বিশ্বকাপের আগেই স্বরূপে টাইগাররা। টানা ১৩ ওয়ানডে হারের পর দল ফিরেছে জয়ের ধারায়। অতিথি জিম্বাবুয়ে হয়েছে ধবলধোলাই। আর এ সাফল্যে বিরাট ভূমিকা দলের নতুন মুখদের।
তাইজুল, জুবায়ের, শাব্বির, সানিদের হাত ধরে এসেছে এসব জয়। অভিজ্ঞদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দুর্দান্ত পারফর্মেন্স দেখিয়েছেন নতুনরা।
এ বছর ওয়ানডেতে ৮ খেলোয়াড়ের অভিষেক হয়েছে লাল-সবুজ জার্সি গায়ে। এর মধ্যে অভিষেক ম্যাচে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে হ্যাটট্রিক করে ইতিহাস গড়েছেন তাইজুল ইসলাম। একটি মাত্র ওয়ানডে খেলে ১১ রানে ৪টি উইকেট দখল করেন তাইজুল। টেস্টেও তাইজুলের পারফরমেন্স ছিল উজ্জ্বল। অভিষেক বছরে ৫ টেস্ট খেলে ২৫ উইকেট নিয়েছেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেস বান্ধব পিচেও দুই টেস্টে আট উইকেট নেন তাইজুল। আশা করা হচ্ছে বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের মাটিতেও কার্যকরি হবে তাইজুলের ঘূর্ণি।
ওয়ানডেতে ভালো করেছেন স্পিনার আরাফাত সানিও। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩ ম্যাচে ১০টি উইকেট নিয়েছেন তিনি। মোট ৮ ওয়ানডে খেলে ১৬ উইকেট নিয়েছেন এ বছরই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অভিষেক হওয়া এ স্পিনার।
লেগস্পিনের ঘূর্ণিতে ২ ম্যাচে ৪টি উইকেট নিয়েছেন জুবায়ের হোসেন। একটু খরুচে হলেও দুই ম্যাচেই প্রতিপক্ষের বিপজ্জনক হয়ে ওঠা দুটি জুটি ভেঙ্গেছেন তিনি। শেন ওয়ার্নের দেশে ভালো করার সম্ভাবনা রয়েছে তারও।
এছাড়াও শাব্বির রহমান, পেসার আল-আমিন, তাসকিনরাও দলে যোগ করেছেন নতুন সম্ভাবনা। ফলে ২০১৫র বিশ্বকাপে শুধু সাকিব-তামিম-মুশফিক-মাশরাফি নয়, ভক্তরা তাকিয়ে থাকবেন তাইজুল, জুবায়ের, সানি, শাব্বিরদের দিকেও।