ভালো মানের মাঠ না থাকায় বাংলাদেশের ফুটবলার সবচেয়ে বেশি ইনজুরিতে পরতে পারে বলে জানিয়েছেন আবাহনীর নতুন বিদেশি কোচ জর্জ কোটান।
তিনি আরো বলেন, অনুশীলন উপযোগী মাঠের সমস্যা সমাধানের জন্য ক্লাবের চেয়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকেই (বাফুফে) সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। সেইসঙ্গে, প্রিমিয়ার লিগসহ, যেকোনো প্রতিযোগীতায় আবাহনীকে শিরোপা জেতানো চ্যালেঞ্জ।
২০০৩ সালে মালদ্বীপে সাফ চ্যাম্পিয়শিপে বাংলাদেশকে জিতিয়ে ছিলেন কোচ জর্জ কোটান। পরে ২০০৫ সালে মুক্তিযোদ্ধার কোচ হিসেবে ঢাকায় আসেন এ অস্ট্রিয়ান। এর ৫ বছর পর এসএ গেমসে, পাকিস্তানের হয়ে বাংলাদেশ সফরে আসেন তিনি।
এবার এলেন চতুর্থবারের মতো। তবে জাতীয় দলের হয়ে নয়, দ্বিতীয়বারের মতো, বাংলাদেশের ক্লাব ফুটবলের দল, আবাহনীর কোচ হিসেবে এখন ঢাকায় জর্জ কোটান।
মুক্তিযোদ্ধার কোচিং দায়িত্ব ছেড়ে, ২০০৬ সালে ভারতের আই লিগের ক্লাব, চার্চিল বাদ্রার্সে যোগ দেন কোটান। পরে পাকিস্তান জাতীয় দলের কোচ হিসেবে কাজ করেন তিনি। মাঝে কিছুদিন জার্মানীতে ফিফার গোল প্রজেক্টেও কাজ করেছেন জর্জ। ঢাকায় আসার একদিন পরেই, মঙ্গলবার নতুন শিষ্যদের অনুশীলন দেখতে মাঠে যান কোটান।
শিষ্যদের তালিম দেয়ার এক ফাকে দেশ টিভিকে বলেন, আবারো বাংলাদেশ আসাতে পারায়, খুব ভালো লাগছে তারা।
তবে অনুশীলনের জন্য ব্যবহৃত মাঠ নিয়ে অসোন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
গেলো দুই মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগসহ, যেকোন টুর্নামেন্টে শিরোপা ঘরে তোলা সম্ভব হয়নি আবাহনীর। গেলো মৌসুমেও, ২৭ ম্যাচে ৫২ পয়েন্ট নিয়ে, টেবিলের দ্বিতীয়স্থানে থেকে লিগ শেষ করতে হয়েছে আবাহনীকে।
নতুন এ কোচ আরো বলেন, এবারের মৌসুমে যেকোন প্রতিযোগীতায়, শিরোপা জেতাই হবে তার মূল চ্যালেঞ্জ।