সাইক্লোন মার্শিয়া ও ল্যাম আঘাত হেনেছে কুইন্সল্যান্ডে। বাংলাদেশ -অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের স্বাগতিক শহর ব্রিসবেনে বইছে ঝড়ো হাওয়া, হচ্ছে বৃস্টি। এ কারণে চরম অনিশ্চিয়তায় কালকের ম্যাচটি। বিশ্বকাপের পুল এ'র ম্যাচে কাল গ্যাবায় মুখোমুখি হওয়ার কথা স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের।
২০০৭ সালের পর এটি হবে বিশ্বকাপের আসরে অজি- টাইগারদের দ্বিতীয় মোকাবেলা। প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানকে হারিয়ে বেশ উজ্জ্বীবিত মাশরাফি বাহিনী। এছাড়া ২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৫ উইকেটের ঐতিহাসিক জয়, এখনও অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে টাইগারদের।
এদিকে, বাংলাদেশকে হারাতে মানসিকভাবে তৈরি অজিরা। তবে দু'দলের জন্যই বড় বাধা হয়ে দাড়াচ্ছে প্রকৃতি।
এর আগে আফগানিস্তানকে ১০৫ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে, এবারের বিশ্বকাপটা দুর্দান্ত সূচনা করেছে মাশরাফি বাহিনী। বিশ্বকাপে দলের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার। তবে অজিদের বিপক্ষে ২০০৫ সালে কার্ডিফে ন্যাটওয়েস্ট সিরিজে আশরাফুলের শতরানের ইনিংস ও ৫ উইকেটের জয়ের সুখ স্মৃতি টাইগারদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে।
তবে জয়ের পরিসংখ্যানে এগিয়ে থাকা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টাইগারদের জন্য বাড়তি চাপ হিসেবে থাকবে ব্রিসবেনের দ্রুত গতি ও বাউন্সি উইকেট।
বর্তমান পারফর্মেন্স খেলোয়াড়রা নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন। একাদশ পরিবর্তনের আভাস দেয়নি টিম ম্যানেজমেন্ট। বোলিংয়ে তিন পেসারের সঙ্গে মিডিয়াম পেসার সৌম্য সরকারও খেলতে পারেন।
এদিকে, নিজেদের প্রথম ম্যাচে চির প্রতিদ্বন্দী ইংল্যান্ডকে ১১১ রানের হারিয়েছে অনফর্ম অস্ট্রেলিয়া। তবে এ যে বিশ্বকাপের ম্যাচ, ছোট দলগুলো হয়ে যেতে পারে বড় দলগুলোর জন্য সবচেয়ে বড় বাধা। তাই প্রস্তুতিতে কোনো কমতি রাখছেন না কোচ। টাইগারদের দুর্বলতা বাউন্সি পিচকে পুঁজি করে এ ম্যাচে চার পেসার খেলানোর আগাম হুমকি দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান কোচ।
তবে দু'দলের খেলার সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে আছে, প্রকৃতি। অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড উপকূল ও উত্তরাঞ্চলে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ঝূর্ণিঝড় মার্শিয়া ও লাম। গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে ঠিকভাবে অনুশীলন করতে পারেনি দু'দলই। শংকা দেখা দিয়েছে ম্যাচ নিয়েও। অতিরিক্ত বৃষ্টির তোড়ে ভেস্তে যেতে পারে মাঠের লড়াই। সেক্ষেত্রে, একপয়েন্ট পাবে দু'দলই। তবে অজিদের দরকার পুরো দুই পয়েন্ট।
আবার টাইগাররাও চাচ্ছে মাঠের লড়াইয়ের মাধ্যমেই ফলাফল আসুক এ ম্যাচ থেকে।