আফগানিস্তানের দেয়া ২৩৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে শ্রীলঙ্কা। হামিদ হাসানের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হয়ে বিদায় নেন। পরে খেলার সমতা ফেরায় শ্রীলঙ্কা দল। অবশেষে মাত্র ৬ উইকেট হারিয়ে ওভার ৪৮. ২ বল খেলেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় শ্রীলঙ্কা।
আফগানিস্তানের প্রথম আট ব্যাটসম্যানের সবাই দুই অঙ্কে পৌঁছালেও স্তানিকজাই ছাড়া কেউ ৪০ পার হতে পারেননি। উইকেটে থিতু হয়ে ব্যাটসম্যানদের বিদায়ে বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি সহযোগী দেশটি।
রোববার ডানেডিনের ইউনিভার্সিটি ওভালে ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দুই বল বাকি থাকতে ২৩২ রানে অলআউট হয়ে যায় আফগানিস্তান।
শুরুটা খুব একটা ভালো হয়নি আফগানিস্তানের। ১০ ওভারে ৪০ রানেই দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানকে হারায় তারা।
তৃতীয় উইকেটে সামিউল্লাহ সেনওয়ারির সঙ্গে স্তানিকজাইয়ের ৮৮ রানের জুটিতে প্রতিরোধ গড়ে আফগানিস্তান। অর্ধশতকে পৌঁছানোর পর স্তানিকজাই রঙ্গনা হেরাথের শিকারে পরিণত হলে ভাঙে ১৭.৩ ওভার স্থায়ী জুটি।
৫৪ রান করা স্তানিকজাইয়ের ৫৭ বলের ইনিংসটি গড়া ৫টি চার ও ১টি ছক্কায়।
এরপর দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে আফগানিস্তান। এই সময়ে ফিরে যান সেনওয়ারি, অধিনায়ক মোহাম্মদ নবি ও নাজিবুল্লাহ জাদরান।
প্রথম ৩৫ ওভারে ওভার প্রতি ৪.৮২ করে রান সংগ্রহ করা দলটি দিক হারায় এরপরই। ব্যাটিং পাওয়ার প্লেতে (৩৬ থেকে ৪০ ওভার) দুই উইকেট হারিয়ে মাত্র ১০ রান যোগ করে সহযোগী দেশটি। এর মধ্যে ৫ রানই আসে অতিরিক্ত থেকে।
সপ্তম উইকেটে আফসার জাজাইয়ের সঙ্গে মিরওয়াইস আশরাফের ৪৬ রানের জুটিতে সোয়া দুইশ’ রানের সংগ্রহ গড়ে আফগানিস্তান। সম্ভাবনা জাগালেও শেষ দিকে দ্রুত উইকেট হারানোয় আড়াইশ’ রানের কাছাকাছি যেতে পারেনি তারা।
শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস ও লাসিথ মালিঙ্গা তিনটি করে উইকেট নেন।
নিজেদের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে ১০৫ রানে হারে আফগানিস্তান। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে শ্রীলঙ্কা ৯৮ রানে নিউজিল্যান্ডের কাছে।