দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে আগের তিন বিশ্বকাপ পরাজয়ের বদলা নিল ২০১৪ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ভারত। ভারতের দেয়া ৩০৮ রানের টার্গেটে দক্ষিণ আফ্রিকা ১৭৭ রান করতে সক্ষম হয়। ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হয়েছেন শেখর ধাওয়ান, ১৯৯ বলে ১৩৭ রান করেন তিনি।
ভারতের দেয়া ৩০৮ রানের টার্গেটে ডু প্লেসিস শুধু অর্ধশতকের দেখা পায়, তিনি করেন ৯৮ বলে ৫৫ রান। ডি ভিলিয়ার্স করেন ৪৭ বলে ৩০ রান করে নট আউট থাকেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বাকি ব্যাস্টম্যানরা থাকেন শুধু আশা- যাওয়া মধ্যে।
এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টস জিতে ভারতের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি ব্যাটিংয়েএ সিদ্ধান্ত নেন। মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৯টায় খেলা শুরু হয়েছে।
ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসে বিরাট কোহলি ও অজিঙ্কা রাহানের সঙ্গে শতরানের দুইটি অসাধারণ জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন ধাওয়ান। আরো বড় সংগ্রহের সম্ভাবনা জাগালেও শেষ দিকে দ্রুত উইকেট হারানোয় ততো রান করতে পারেনি শিরোপাধারী ভারত।
ভারতের শুরুটা ভালো হয়নি, দলীয় ৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় তারা। এবি ডি ভিলিয়ার্সের সরাসরি থ্রোয়ে রান আউট হয়ে যান রোহতি শর্মা।
দ্বিতীয় উইকেটে বিরাট কোহলির সঙ্গে ১২৭ রানের জুটি গড়ে দলকে সুবিধাজনক জায়গায় পৌঁছে দেন ধাওয়ান। ইমরান তাহিরের বলে কোহলি ডু প্লেসির তালুবন্দি হলে ভাঙে ২৪.২ ওভার স্থায়ী জুটি।
তৃতীয় উইকেটে অজিঙ্কা রাহানের সঙ্গে ১৬.৩ ওভার স্থায়ী ১২৫ রানের আরেকটি চমৎকার জুটি উপহার দেন ধাওয়ান। ওয়েইন পার্নেলের বলে হাশিম আমলার ক্যাচে পরিণত হয়ে থামে তার ১৩৭ রানের দারুণ ইনিংসটি। বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এটাই ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। আগের সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি খেলেছিলেন স্টিফেন ফ্লেমিং।
ধাওয়ান ১৪৬ বলে ক্যারিয়ারের সপ্তম শতকে ১৬টি চার ও ২টি ছক্কা সমৃদ্ধ। এর আগে ব্যক্তিগত ৫৩ রানে পার্নেলের বলেই আমলার হাতে একবার জীবন পান এ বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।
ধাওয়ানের বিদায়ের পর সুরেশ রায়না, রাহানে ও রবিন্দ্র জাদেজার দ্রুত বিদায়ে অস্বস্তিতে পড়ে ভারত। ৭৯ রান করা রাহানের ৬০ বলের আক্রমণাত্মক ইনিংসটি গড়া ৭টি চার ও ৩টি ছক্কায়।
অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির ১০ বলে খেলা ১৮ রানের আক্রমাত্মক ইনিংসে ৩০০ রান পার করতে সক্ষম হয় ভারত।
আর দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার মর্নে মরকেল ২ উইকেট নেন ৫৯ রানে।