পার্থের ওয়াকায় ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে ২০১৪ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ভারত।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৩১ ওভার ৩ বলে ১০২ রানে অলআউট হয়ে যায় আরব আমিরাত। জবাবে ১৮ ওভার ৫ বলে ১ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত।
ভারতের বোলারদের দাপটের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি আরব আমিরাতের ব্যাটসম্যানরা। তাই টানা তৃতীয় জয়ের জন্য ছোট লক্ষ্যই পেয়েছে ভারত। রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলির দৃঢ়তায় ছোট পুঁজি নিয়ে খুব একটা লড়াইও করতে পারেনি আরব আমিরাত।
খেলার শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি আরব আমিরাতের। দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারায় তারা। উমেশ যাদবের বল হুক করতে গিয়ে মহেন্দ্র সিং ধোনির গ্লাভসবন্দি হন আন্দ্রি বেরেঙ্গার।
পঞ্চম ওভারে আঘাত হানেন ভুবনেশ্বর কুমার। আমজাদ আলীকে ফিরিয়ে দেন বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো খেলতে নামা এই পেসার। তার বলেও হুক করতে গিয়ে ধোনির গ্লাভসবন্দি হন আমজাদ।
১৩ রানে দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানকে হারানো আরব আমিরাতের বিপদ আরো বাড়ান রবিচন্দ্রন অশ্বিন। কৃষ্ণ চন্দ্রন ও খুররম খানকে সুরেশ রায়নার ক্যাচে পরিণত করে তিনি। এই অফস্পিনারের বলেই শিখর ধাওয়ার তালুবন্দি হন স্বপ্নিল পাতিল।
এক প্রান্তে শাইমান আনোয়ার অবিচল থাকলেও অন্য প্রান্তে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় আরব আমিরাত। পাঁচ ওভারের মধ্যে চার ব্যাটসম্যান বিদায় নিলে প্রথম দল হিসেবে একশ’ রানের নিচে অলআউটের শঙ্কায় পড়ে সহযোগী দেশটি।
রোহান মুস্তফাকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন রোহিত শর্মা। এক ওভার পর আমজাদ জাভেদকে রায়নার ক্যাচে পরিণত করেন রবিন্দ্র জাদেজা।
পরের দুই ওভারে মোহাম্মদ নাভেদ ও অধিনায়ক মোহাম্মদ তৌকিরের বিদায়ে ভীষণ বিপদে পড়ে আরব আমিরাত। নাভেদকে বোল্ড করে চতুর্থ উইকেট নেন অশ্বিন।
৭১ রানে ৯ উইকেট হারানো আরব আমিরাত একশ’ পার হয় আনোয়ারের দৃঢ়তায়। দশম উইকেটে মানজুলা গুরুগের সঙ্গে ৩১ রানের জুটি গড়ে দলের সংগ্রহ তিন অঙ্কে নিয়ে যান তিনি।
শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার আগে সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন আনোয়ার।