খেলা

দ. আফ্রিকাকে ২৯ রানে হারিয়েছে পাকিস্তান

বিশ্বকাপ
বিশ্বকাপ

অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে বৃষ্টির কারণে ওভার কমিয়ে ৪৭ করার পর পাকিস্তানের দেয়া ২৩২ রানের অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান। জবাবে ৩৩ ওভার ৩ বলে ২০২ রানে অলআউট হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

মোহাম্মদ ইরফানের বলে সরফরাজ আহমেদের গ্লাভসবন্দি হয়ে ফিরে যান কুইন্টন ডি কক। দশম ওভারে সরফরাজের গ্লাভসবন্দি করে ফাফ দু প্লেসিকে (২৭) ফিরিয়ে দেন রাহাত আলি। পরের ওভারেই হাশিম আমলাকে সরফরাজের তৃতীয় ক্যাচে পরিণত করেন ওয়াহাব রিয়াজ।

১৩তম ওভারে আবার আঘাত হানেন ওয়াহাব। রাইলি রুশোকে সোহেল খানের ক্যাচে পরিণত করেন তিনি। ষোড়শ ওভারে রাহাত এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন ডেভিড মিলারকে।

২০তম ওভারে জেপি ডুমিনিকে ফেরান ইরফান। ২৪তম ওভারে ডেল স্টেইনকে সরফরাজের ক্যাচে পরিণত করেন তিনি। ৩০তম ওভারে কাইল অ্যাবটকে ইউনুস খানের ক্যাচে পরিণত করেন রাহাত।

অধিনায়ক মিসবাহ-উল-হকের দারুণ লড়াইয়ের পরও সংগ্রহ খুব একটা বড় হয়নি পাকিস্তানের। দুইবার বৃষ্টির বাধায় পড়া ম্যাচে ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে দক্ষিণ আফ্রিকা পেয়েছে ২৩২ রানের লক্ষ্য।

পাকিস্তান ইনিংসের ৩৭তম ওভার শেষে বৃষ্টি নামলে প্রায় আধ ঘণ্টা খেলা বন্ধ থাকে। ৪১তম ওভারে আবার বৃষ্টি নামলে ম্যাচের দৈর্ঘ্য নেমে আসে ৪৭ ওভারে।

শনিবার অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দুই বল বাকি থাকতে ২২২ রানে অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান।

বিশ্বকাপে টানা চার ইনিংসে ব্যর্থতার পর পরিবর্তন আনা হয় পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটিতে। নাসির জামশেদের জায়গায় দলে ফিরেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান সরফরাজ আহমেদ। আহমেদ শেহজাদের সঙ্গে ৩০ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন তিনি।

ডেল স্টেইনের দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত হয়ে শেহজাদের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন দলে ফেরা ইউনুস খান। হারিস সোহেলের চোটে দলে আসা এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান সরফরাজের সঙ্গে গড়েন ৬২ রানের জুটি।

রানআউটে সরফরাজের বিদায়ে ভাঙে ৮ ওভার স্থায়ী জুটি। ৪৯ বলে খেলা সরফরাজের ৪৯ রানের ইনিংস গড়া ৫টি চার ও ৩টি ছক্কায়।

মিসবাহর সঙ্গে ৪০ রানের জুটি গড়ে বিদায় নেন ইউনুস। এবি ডি ভিলিয়ার্সের বলে রাইলি রুশোর হাতে ক্যাচ দেন তিনি। ফারহান বেহারদিনের জায়গায় দলে ফেরা জেপি ডুমিনির সঙ্গে পঞ্চম বোলারের কাজটা সারেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক। ৬ ওভার বল করে ৪৩ রান দিয়ে ইউনুসের উইকেটটি নেন ডি ভিলিয়ার্স।

এক প্রান্তে মিসবাহ অবিচল থাকলেও অন্য প্রান্তে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান। শোয়েব মাকসুদ (৮), উমর আকমল (১৩) ও শহিদ আফ্রিদির (২২) দ্রুত বিদায়ে শেষ দিকে পাকিস্তানের রানের গতিতে ভাটা পড়ে।

এক সময়ে পাকিস্তানের স্কোর ছিল ৫ উইকেটে ২১২ রান। সেখান থেকে ১০ রান যোগ করতেই শেষ ৫ উইকেট হারায় তারা।

ডেল স্টেইনের বলে সীমানায় মর্নে মরকেলের ক্যাচে পরিণত হওয়ার আগে ৫৬ রান করেন মিসবাহ। ক্যারিয়ারের ৪২তম অর্ধশতকে পৌঁছানোর পথে পাঁচ হাজার রানের মাইলফলক অতিক্রম করেন পাকিস্তানের অধিনায়ক।

পেছন দিকে অনেকটা দৌড়ে শেষ মুহূর্তে ঝাঁপিয়ে শেহজাদের দারুণ ক্যাচ নিয়েছিলেন স্টেইন। ফিল্ডিংয়ের মতো বোলিংয়েও দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন তিনি। ৩০ রান দিয়ে মিসবাহ, আফ্রিদি ও রাহাত আলিকে ফিরিয়ে তিনিই দলের সেরা বোলার।

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

স্ত্রীর করা মামলায় জামিন পেলেন ক্রিকেটার আল আমিন

সিপিএলে ঝড়ো ফিফটিতে দল জিতিয়ে ম্যাচসেরা সাকিব

বাংলাদেশের তিন ম্যাচ আজ

ক্রীড়াঙ্গনে সাফল্যের এক সপ্তাহ

কৃষ্ণাদের চুরি হওয়া অর্থ ফেরত দেবে বাফুফে

শিরোপা নিয়ে দেশে ফিরলেন সাফ চ্যাম্পিয়ন মেয়েরা

ছাদখোলা বাসে রাজধানীজুড়ে হবে বিজয় মিছিল

সাফের ফাইনালে প্রথমার্ধে দুই গোল বাংলাদেশের

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ