বিশ্বকাপের পুল ‘এ’ এর ব্লকব্লাস্টার ম্যাচে আগামীকাল (সোমবার) মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ড। এ ম্যাচে জয় পেলেই বাংলাদেশ চলে যাবে কোয়ার্টার ফাইনালে। এদিকে, ইংল্যান্ডের জন্য বাঁচা-মরার লড়াই, হারলেই শেষ বিশ্বকাপ।
এবার ইংল্যান্ডকে হারানোর লক্ষ্য নিয়েই দেশ ছেড়েছিল বাংলাদেশ দল। সেই ইংল্যান্ডই ৪ ম্যাচের একটিতে জিতে টেবিলের পাঁচে রয়েছে। অন্যদিকে ৪ ম্যাচ থেকে বাংলাদেশের পয়েন্ট ৫। ইংলিশদের থেকে নেট রান রেটেও এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। গুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচটি অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেইড ওভালে শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৯টায়।
দুই দলের জন্যই এ ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ। যে ম্যাচে হেরে গেলে ইংল্যান্ড ছিটকে যাবে বিশ্বকাপ থেকে। এদিকে, বাংলাদেশ ক্যাপ্টেন মাশরাফি জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় ম্যাচ এটি।
এ ম্যাচে জয় নিশ্চিত করবে মাশরাফি বাহিনীর কোয়ার্টার ফাইনালে খেলা। হেরে গেলে পুলের শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারাতে হবে শেষ আটে টাইগারদের উঠতে হলে। তবে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের তুলনায় ইংল্যান্ডের বর্তমান পারফর্মেন্স আহামরি নয় বলেই টাইগারদের শিকারের মূল লক্ষ্য থ্রি লায়ন্সরা।
ইতিহাস অনুপ্রেরণা যোগাবে মাশরাফি বাহিনীকে। ২০১১ বিশ্বকাপেই ২ উইকেটে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। শেষ ৩টি ম্যাচের ২টি তেই জয় টাইগারদের।
ওয়ানডেতে ১৫টি ম্যাচ হয়েছে দুই দলের মধ্যে। সেখানে ২টি ম্যাচে জয় বাংলাদেশের আর ১৩টি ম্যাচে জিতেছে ইংল্যান্ড। তবে রেকর্ড বুক তৈরী হয়ে থাকে ভাঙার জন্য। আর বাংলাদেশ দলের সামনে সুযোগ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের সংখ্যা বাড়ানোর।
এনামুল হক বিজয়ের ইনজুরিতে ইমরুল কায়েস অথবা সৌম্য সরকার তামিমের সঙ্গে ওপেন করতে পারেন। বরাবরই ইংলিশ ব্যাটসম্যানদের দুর্বলতা স্পিন বোলিং। ব্র্যাডম্যানের শহর অ্যাডিলেইডে খেলা। অ্যাডিলেইড ওভালের পিচও শুষ্ক ও স্পিন সহায়ক। বাংলাদেশের শক্তিও স্পিন বোলিং। তাই হয়তো দলের সঙ্গে এখন পর্যন্ত ঘুড়ে বেড়ানো, আরাফাত সানি অথবা তাইজুল ইসলাম অবশেষে সুযোগ পেতে পারেন বিশ্বমঞ্চে খেলার।
এদিকে, ইংলিশ বোলাররা হারিয়ে খুঁজছেন নিজেদের। ব্যাটসম্যানদের পারফর্মেন্সও অধারাবাহিক। তবে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে ইংল্যান্ডের বাংলাদেশকে নিয়ে সতর্কতা। কোনো ছাড় দিতে নারাজ তারা।
ইংল্যান্ডের জন্য সমীকরণ হলো প্রথমে বাংলাদেশ ও পরে আফগানিস্তানকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা। মাশরাফি বাহিনীর সামনে একটাই লক্ষ্য, হারাও ইংল্যান্ডকে, তাহলেই চলে আসবে বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকে প্রথমবারের মত সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার সুযোগ।