বিশ্বকাপের ৩৬তম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের ওয়ালিংটনে পুল ‘বি’-এ ম্যাচে এবি ডি ভিলিয়ার্সের নৈপুণ্যে অনায়াস জয় পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ১৪৬ রানে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনাল নিশ্চিত করেছে তারা।
ডি ভিলিয়ার্সের অধিনায়কোচিত ইনিংস আর শেষ দিকে ফারহান বেহারদিনের তাণ্ডবে ৬ উইকেটে ৩৪১ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা।
জবাবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো আরব আমিরাত লক্ষ্যের ধারে কাছে যেতে পারেনি। স্বপ্নিল পাতিলের অর্ধশতকে ৪৭ ওভার ৩ বলে ১৯৫ রানে অলআউট হয়ে যায় আরব আমিরাত।
বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪৫ রানে প্রথম তিন ব্যাটসম্যানের বিদায়ে শুরুটা ভালো হয়নি আরব আমিরাত।
শাইমান আনোয়ারের সঙ্গে ৬৩ রানের জুটিতে প্রতিরোধ গড়েন স্বপ্নিল। ইমরান তাহিরের শিকারে পরিণত হয়ে আনোয়ারের বিদায়ের পর প্রায় একাই খেলতে হয় স্বপ্নিলকে। দলকে ২০০ রানের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া স্বপ্নিল অপরাজিত থাকেন ৫৭ রানে। ১০০ বলের ইনিংসটি গড়া ৫টি চারে।
ম্যাচ সেরা ডি ভিলিয়ার্স মাত্র ১৫ রানে দুটি উইকেটও নেন। এছাড়া দুটি করে উইকেট নেন মর্নে মরকেল ও ভার্নন ফিল্যান্ডার।
খেলার শুরুতে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। তৃতীয় ওভারেই হাশিম আমলার উইকেট হারায় তারা।
৬৮ রানের জুটিতে প্রতিরোধ গড়েন রাইলি রুশো ও কুইন্টন ডি কক। তবে ১১ রানের মধ্যে এই দুই ব্যাটসম্যানের বিদায় দলকে আবার অস্বস্তিতে ফেলে দেয়।
৯৬ রানে প্রথম তিন ব্যাটসম্যানকে হারানো দক্ষিণ আফ্রিকাকে বড় সংগ্রহের দিকে এগিয়ে নেয়ার কৃতিত্ব ডি ভিলিয়ার্সের। ডেভিড মিলারের সঙ্গে ১০৮ ও জেপি ডুমিনির সঙ্গে ৫৩ রানের দুটি জুটি উপহার দেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক।
মাত্র ১ রানের জন্য শতক পাননি ডি ভিলিয়ার্স। কামরান শাহজাদের বলে আমজাদ জাভেদের তালুবন্দি হয়ে শেষ হয় তার ৮২ বল স্থায়ী ইনিংস। ডি ভিলিয়ার্সের ৯৯ রানের ইনিংসটি ৬টি চার ও ৪টি ছক্কা সমৃদ্ধ।
দলের সংগ্রহ ৩০০ রানের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার পর ফিরে যান ডুমিনি। তবে তাতে কমেনি রানের গতি। বেহারদিনের ঝড়ো অর্ধশতকে শেষ দিকে দ্রুত রান সংগ্রহ করে বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিটরা।
শেষ ৩ ওভারে ৪৯ রান যোগ করেন বেহারদিন-ফিল্যান্ডার। ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন বেহারদিন। তার ৩১ বলের ইনিংসটি ৫টি চার ও ৩টি ছক্কায় সাজানো।