বিশ্বকাপে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে টানা দুই ম্যাচে সেঞ্চুরি করে রেকর্ড গড়েছেন মাহমুদুল্লাহ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের ইনিংসের মূল ভিত গড়েছিল ওয়ানডে ও বিশ্বকাপে তার প্রথম সেঞ্চুরি।
পুল পর্বের শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও তার আরো একটি দুর্দান্ত সেঞ্চুরি দেখলো বিশ্বক্রিকেটের অগণিত দর্শক। ১২টি চার ও তিন ছয়ে করেছেন অপরাজিত ১২৮ রান। সে সুবাদে টাইগার মাহমুদুল্লাহর ব্যাটে ভর করে বাংলাদেশ পায় ২৮৮ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে যেখানে শেষ করেছিলেন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেখান থেকেই যেন শুরু করলেন মাহমুদুল্লাহ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে করেছিলেন সেঞ্চুরি। বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ক্রিকেটের মেগাইভেন্টে ব্যাক টু ব্যাক সেঞ্চুরির রেকর্ডটাও করলেন তিনি।
শুরুতেই তবে বাংলাদেশের সমর্থকদের ভয় ধরিয়ে দিয়েছিলেন মাহমুদুল্লাহ। যখন তার ব্যাটের কানায় লেগে দুই স্লিপের মাঝ দিয়ে বল পৌঁছে যায় বাউন্ডারি লাইনে। তবে এরপরই চাপ জয় করে নেন তিনি। তার স্বভাবসুলভ মাটি কামড়ানো শট খেলতে থাকেন সৌম্য সরকারকে সঙ্গী করে।
ওপেনিংয়ে শুরুটা ভাল হয়নি। তবে সেটি বুঝতেই দেননি মাহমুদুল্লাহ। ২২ গজের চারদিকেই খেলেন দুর্দান্ত সব শট।
এ ম্যাচের আগে শুরুর আগে ব্ল্যাক ক্যাপসদের সুইং বোলিংকে নিয়ে ছিল আশংকা।
বোদ্ধারাও বলছিলেন, বাংলাদেশের জন্য টিম সাউদি, ট্রেন্ট বোল্টের সুইং ত্রাস হতে পারে। তবে অপ্রতিরোধ্য মাহমুদুল্লাহ এই দুইজনের বলও মোকাবেলা করেছেন সাবলীল ভঙ্গিতেই।
সেডন পার্কে বোলারদের পাশাপাশি মাহমুদুল্লাহর আরও প্রতিপক্ষ ছিল মাঠে উড়ে বেড়ানো হাজারো মাছি। তবে মনোসংযোগটাও ধরে রেখে প্রথম ৫০ পূরণ করেন সিঙ্গেল নিয়ে।
হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেয়ার পর আরও বিদ্ধংসী মাহমুদুল্লাহ। বাকি ৫০ রান করলেন ৪৮ বল খেলে।
দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে ওয়ান্ডেতে টানা দুই ম্যাচে সেঞ্চুরি করলেন মাহমুদুল্লাহ। এর আগে ২০০৬ সালে শাহরিয়ার নাফিস জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তুলেছিলেন টানা দুই সেঞ্চুরি।